এস.এস.সি বাংলা ১ম পত্র অধ্যায় – ১৩: গদ্য – বাঙলা শব্দ এর সকল তথ্য ও MCQ প্রশ্নোত্তর PDF ডাউনলোড করুন

নবম-দশম শ্রেণির বাঙলা শব্দ অধ্যায়ের এর সকল তথ্য ও MCQ প্রশ্নোত্তর পিডিএফ Download 

SSC Bangla 1st Paper MCQ Question With Answer

এখানের সবগুলো প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ আকারে নিচে দেওয়া লিংক থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

লেখক পরিচিতি

বাংলাদেশের বিশিষ্ট গদ্যশিল্পী, ভাষাবিজ্ঞানী, ঔপন্যাসিক ও কবি হুমায়ুন আজদ ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ২৮ শে এপ্রিল মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের অন্তর্গত রাড়িখাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। অত্যন্ত মেধাবী হুমায়ুন আজাদ দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো : কাব্য ‘অলৌকিক ইস্টিমার’, ‘জ্বলো চিতাবাঘ’, ‘সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’, ‘কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু; উপন্যাস-‘ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল’, ‘সব কিছু ভেঙে পড়ে’, গল্প-‘যাদুকরের মৃত্যু’, প্রবন্ধ-‘নিবিড় নীলিমা’, ‘বাঙলা ভাষার শত্রুমিত্র’, ‘বাক্যতত্ত্ব’, ‘লাল নীল দীপাবলি’, ‘কতো নদী সরোবর’ ইত্যাদি। তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কারসহ অন্যান্য অনেক পুরস্কার লাভ করেছেন। হুমায়ুন আজাদ ২০০৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ই আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।

বাঙলা ভাষার একরকম শব্দকে বলা হয় ‘তদ্ভব শব্দ’। আরেক রকম শব্দকে

বাঙলা ভাষার একরকম শব্দকে বলা হয় ‘তদ্ভব শব্দ’। আরেক রকম শব্দকে বলা ‘তৎসম শব্দ’। এবং আরেক রকম শব্দকে বলা হয় ‘অর্ধতৎসম শব্দ’। এই তিন রকম শব্দ মিলে গড়ে উঠেছে ‘বাঙলা ভাষার শরীর’। ‘তৎসম’, ‘তদ্ভব’ পারিভাষিক শব্দগুলো চালু করেছিলেন প্রাকৃত ভাষার ব্যাকরণ রচয়িতারা। তাঁরা ‘তৎ’ অর্থাৎ ‘তা’ বলতে বোঝাতেন ‘সংস্কৃত’ (এখন বলি প্রাচীন ভারতীয় আর্য) ভাষাকে। আর ‘ভব’ শব্দের অর্থ ‘জাত, উৎপন্ন’। তাই ‘তদ্ভব’ শব্দের অর্থ হলো ‘সংস্কৃত থেকে জন্ম নেয়া’ আর ‘তৎসম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘সংস্কৃতের সমান’ অর্থাৎ সংস্কৃত। বাঙলা ভাষার শব্দের শতকরা বায়ান্নটি শব্দ ‘তদ্ভব’ ও অর্ধতৎসম’। শতকরা চুয়াল্লিশটি ‘তৎসম’। তাই বাঙলা ভাষার শতকরা ছিয়ানব্বইটিই মৌলিক বা বাঙলা শব্দ।

প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার বিপুল পরিমাণ শব্দ বেশ নিয়মকানুন মেনে রূপ

প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার বিপুল পরিমাণ শব্দ বেশ নিয়মকানুন মেনে রূপ বদলায় মধ্যভারতীয় আর্যভাষায় অর্থাৎ প্রাকৃতে। পরিণত হয় প্রাকৃত শব্দে। শব্দগুলো গা ভাসিয়ে দিয়েছিল পরিবর্তনের স্রোতে। প্রাকৃতে আসার পর আবার বেশ নিয়মকানুন মেনে তারা বদলে যায়। পরিণত হয় বাঙলা শব্দে। এগুলোই তদ্ভব শব্দ। এই পরিবর্তনের স্রোতে ভাসা শব্দেই উজ্জ্বল বাঙলা ভাষা। তবে তদ্ভব শব্দগুলো সংস্কৃত বা প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকেই শুধু আসেনি। এসেছে আরো কিছু ভাষা থেকে। তবে প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকেই এসেছে বেশি সংখ্যক শব্দ। ‘চাঁদ’, ‘মাছ’, ‘এয়ো’, ‘দুধ’ ‘বাঁশি’। এগুলো প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে নিয়ম মেনে প্রাকৃতের ভেতর দিয়ে এসেছে বাঙলায়। ‘চাঁদ’ ছিল সংস্কৃতে ‘চন্দ্র’, প্রাকৃতে ছিল ‘চন্দ’। বাঙলায় ‘চাঁদ। ‘মাছ’ ছিল ‘মৎস’ সংস্কৃতে, প্রাকৃতে হয় ‘মচ্ছ’। বাঙলায় ‘মাছ’। ‘এয়ো’ ছিল সংস্কৃতে ‘অবিধবা’। প্রাকৃতে হয় ‘অবিহবা’। বাঙলায় ‘এয়ো’। ‘দুধ’ ছিল সংস্কৃতে ‘দুগ্ধ’। প্রাকৃতে হয় ‘দুদ্ধ’। বাঙলায় হয় ‘দুধ’। ‘বাঁশি ছিল ‘বংশী’ সংস্কৃতে। প্রাকৃতে হয় ‘বংসী’। বাঙলায় ‘বাঁশি’। বেশ নিয়ম মেনে, অনেক শতক পথ হেঁটে এসেছে এ-তীর্থযাত্রীরা। আমাদের সবচেয়ে প্রিয়রা।

আরো আছে কিছু তীর্থযাত্রী যারা পথ হেঁটেছে আরো বেশি। তারা অন্য ভাষার।

আরো আছে কিছু তীর্থযাত্রী যারা পথ হেঁটেছে আরো বেশি। তারা অন্য ভাষার। তারা প্রথমে ঢুকেছে সংস্কৃতে তারপর প্রাকৃতে। তারপর এসেছে বাঙলায়। এরাও তদ্ভব শব্দ। মিশে আছে বাঙলা ভাষায়। ‘খাল’ আর ‘ঘড়া’। খুব নিকট শব্দ আমাদের। ‘খাল’ শব্দটি তামিল ভাষার ‘কাল’ থেকে এসেছে। ‘কাল’ সংস্কৃতে হয় ‘খল্প’। প্রাকৃতে হয় ‘খল্ল’। বাঙলায় ‘খাল’। তামিল-মলয়ালি ভাষায় একটি শব্দ ছিল ‘কুটম’। সংস্কৃতে সেটি হয় ঘট। প্রাকৃতে হয় ‘ঘড়’। বাঙলায় ‘ঘড়া’। ‘দাম’ আর ‘সুড়ঙ্গ’। প্রতিদিনের শব্দ আমাদের। ‘দাম’ শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষার ‘দ্রাখমে’ একরকম মুদ্রা, টাকা) থেকে। ‘দ্রাখমে’ সংস্কৃতে হয় ‘দ্রম্য’। প্রাকৃতে ‘দম্ম’। বাঙলায় ‘দাম’। গ্রিক ভাষায় একটি শব্দ ছিল ‘সুরিংক্স্’। শব্দটি সংস্কৃতে ঢুকে হয়ে যায় ‘সরঙ্গ’/সুরুঙ্গ’। প্রাকৃতেও এভাবেই থাকে। বাঙলায় হয়ে যায় ‘সুড়ঙ্গ’। ‘ঠাকুর’ বাঙলায় শ্রেষ্ঠ কবির নামের অংশ। শব্দটি ছিলে তুর্কি ভাষায় ‘তিগির’। সংস্কৃত ও প্রাকৃতে হয়ে যায় ‘ঠক্কুর’। বাঙলায় ‘ঠাকুর’।

প্রাচীন ভারতীয় আর্য বা সংস্কৃত ভাষার বেশ কিছু শব্দ বেশ অটল অবিচল।

প্রাচীন ভারতীয় আর্য বা সংস্কৃত ভাষার বেশ কিছু শব্দ বেশ অটল অবিচল। তারা বদলাতে চায় না। শতকের পর শতক তারা অক্ষয় হয়ে থাকে। এমন বহু শব্দ, অক্ষয় অবিনশ্বর শব্দ, এসেছে বাঙলায়। এদের বলা হয় তৎসম শব্দ। বাঙলা ভাষায় এমন শব্দ অনেক। তবে এ শব্দগুলো যে একেবারে বদলায়নি তাও নয়। এদের অনেকে পরিবর্তিত হয়েছিল কিন্তু আমরা সে পরিবর্তিত রূপগুলো বাদ দিয়ে আবার খুঁজে এনেছি খাঁটি সংস্কৃত রূপ। জল, বায়ু, আকাশ, মানুষ, গৃহ, কৃষ্ণ, অন্ন, দর্শন, দৃষ্টি, বংশী, চন্দ্র এমন শব্দ। এদের মধ্যে ‘বংশী’ ও ‘চন্দ্র’র তদ্ভব রূপও আছে বাঙলায়। ‘বাঁশি’ আর ‘চাঁদ’। পুরোনো বাঙলায় ‘সসহর’ ছিল, ‘রএণি’ ছিল। এখন নেই। এখন আছে সংস্কৃত শব্দ ‘শশধর’ আর ‘রজনী’। বাঙলা ভাষার জন্মের কালেই প্রবলভাবে বাঙলায় ঢুকতে থাকে তৎসম শব্দ। দিন দিন তা আরো প্রবল হয়ে ওঠে। উনিশ শতকে তৎসম শব্দ বাঙলা ভাষাকে পরিণত করে তার রাজ্যে।

কিছু শব্দ বেশ রুগ্নভাবে (হবে রুগ্ণ) এসেছে বাঙলায়। প্রাচীন ভারতীয় আর্য

কিছু শব্দ বেশ রুগ্নভাবে (হবে রুগ্ণ) এসেছে বাঙলায়। প্রাচীন ভারতীয় আর্য বা সংস্কৃতের কিছু শব্দ কিছুটা রূপ বদলে ঢুকেছিল প্রাকৃতে। তারপর আর তাদের বদল ঘটেনি। প্রাকৃত রূপ নিয়েই অবিকশিতভাবে সেগুলো এসেছে বাঙলায়। তাদেরই বলা হয় অর্ধতৎসম। ‘কৃষ্ণ’ ও ‘রাত্রি’ বিকল হয়ে জন্মেছে ‘কেষ্ট’ ও ‘রাত্তির’। শব্দগুলো বিকলাঙ্গ। মার্জিত পরিবেশে সাধারণত অর্ধতৎসম শব্দ ব্যবহার করা হয় না। আরো কিছু শব্দ আছে যেগুলোর মূল নির্ণয় করতে পারেননি ভাষাতাত্ত্বিকেরা। তবে মনে করা হয় যে বাঙলা ভাষার উদ্ভবের আগে যেসব ভাষা ছিল আমাদের দেশে সেসব ভাষা থেকে এসেছে ওই শব্দগুলো। এমন শব্দকে বলা হয় ‘দেশি’ শব্দ। এগুলো কেউ কেউ বিদেশি বা ভিন্ন ভাষার শব্দের মতোই বিচার করেন। কিন্তু এগুলোও গ্রহণ করা উচিত বাঙলা ভাষার নিজস্ব শব্দ হিসেবেই। ডাব, ডিঙ্গি, ঢোল, ডাঙ্গা/ডাঙা, ঝোল, ঝিঙ্গা/ঝিঙা, ঢেউ এমন শব্দ। এগুলো কী করে বিদেশি বলি?

তদ্ভব শব্দ – তা থেকে উৎপন্ন, প্রাকৃত বাংলা শব্দ, এই শব্দগুলো প্রাচীনভারতীয়

তদ্ভব শব্দ – তা থেকে উৎপন্ন, প্রাকৃত বাংলা শব্দ, এই শব্দগুলো প্রাচীনভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিভিন্ন স্তরের মাধ্যমে ক্রম পরিবর্তিত হয়ে রূপান্তর লাভ করেছে; তৎসম শব্দ – তৎসদৃশ, তদ্রুপ, সংস্কৃত শব্দের অনুরূপ বাংলা শব্দ; অর্ধতৎসম শব্দ – অর্ধেক তার সমান, তৎসম শব্দের আংশিক পরিবর্তিত রূপ; প্রাকৃত – প্রকৃতিজাত, স্বাভাবিক, প্রাচীনভারতীয় আর্যভাষার রূপান্তর বিশেষ; এ-তীর্থযাত্রীরা – এখানে বাংলা ভাষায় আগত শব্দভাণ্ডারকে বোঝানো হয়েছে; আমাদের সবচেয়ে প্রিয়রা – বাংলাভাষায় আগত শব্দসমূহ আমাদের বাংলাভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে। এ কারণে আগত শব্দসমূহকে লেখক সবচেয়ে প্রিয় বলে বিশেষায়িত করেছেন; অবিকশিতভাবে – বিকশিত নয়, এমন; বিকলাঙ্গ – অঙ্গহীন, ত্রুটিযুক্ত।

সব্যসাচী লেখক হুমায়ুন আজাদের (১৯৪৭-২০০৪) ‘কতো নদী সরোবর বা বাঙলা

সব্যসাচী লেখক হুমায়ুন আজাদের (১৯৪৭-২০০৪) ‘কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী’ নামক গ্রন্থ থেকে ‘বাঙলা শব্দ’ প্রবন্ধটি সংকলিত হয়েছে। এখানে লেখক বাংলাভাষা শব্দের জন্মকথা উল্লেখ করেছেন।

বাঙালি যে ভাষায় কথা বলে সেই ভাষাকে বাংলাভাষা বলে। বাংলাভাষা একদিনে বা এককভাবে তৈরি হয়নি। বাংলাভাষা আজকের রূপে আসতে বহুদিন লেগেছে। আবার বাংলা শব্দ নিয়মহীনভাবেও আসেনি। উৎপত্তি ও গঠনরীতির মাধ্যমে বাংলাভাষা তৈরি হয়েছে। বাংলাভাষার শব্দসম্ভারকে প্রচলিত ‘তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি’ এই পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে তাই প্রবন্ধটিতে আলোচনা করা হয়েছে। কিভাবে অন্যান্য ভাষা থেকে শব্দসমূহ বাংলাভাষায় এসে বাংলাভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে তা অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় লেখক এখানে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাভাষার শতকরা ৪৪টি তৎসম, ৫২টি তদ্ভব বা অর্ধতৎসম আর ৯৬টি মৌলিক বা বাংলা শব্দ।

বাঙলা শব্দ অধ্যায়ের সকল বহুনির্বাচনী সাজেশন

১. ‘উজ্জ্বল’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক) দীপ্ত
খ) সুপ্ত
গ) রিক্ত
ঘ) দিনমণি
সঠিক উত্তর: (ক)

২. হুমায়ুন আজাদ – এর কাব্যগ্রন্থ হলো –
i. অলৌকিক ইস্টিমার
ii. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
iii. জ্বলো চিতাবাঘ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) ii ও iii
গ) i ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)

৩. বাংলা ভাষার শব্দসম্ভারের প্রচলিত ধাপ কয়টি?
ক) ৩টি
খ) ৪টি
গ) ৫টি
ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর: (গ)

৪. গ্রিক ভাষার শব্দ থেকে এসেছে কোনটি?
ক) খাল
খ) খড়
গ) চাঁদ
ঘ) দাম
সঠিক উত্তর: (ঘ)

৫. ‘মচ্ছ’ শব্দটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ শব্দ হলো –
ক) দুগ্ধ
খ) চন্দ
গ) বাঁশি
ঘ) অবিধবা
সঠিক উত্তর: (খ)

৬. ‘তৎসম’ শব্দগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো –
i. গুরুগম্ভীর প্রকৃতির
ii. অবয়ব অপরিবর্তনীয়
iii. ব্যবহারিক অর্থে সহজ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) ii ও iii
গ) i ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)

৭. ‘দুদ্ধ’ হলো –
i. ‘দুধ’ – এর প্রাকৃত রূপ
ii. ‘দুধ’ – এর তৎসম রূপ
iii. ‘দুগ্ধ’ – এর প্রাকৃত রূপ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) ii ও iii
গ) i ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)

৮. ‘তদ্ভব’ শব্দের অর্থ হলো –
ক) শতম থেকে জন্ম নেয়া
খ) সংস্কৃত থেকে জন্ম নেয়া
গ) প্রাকৃত থেকে জন্ম নেয়া
ঘ) অপভ্রংশ থেকে জন্ম নেয়া
সঠিক উত্তর: (খ)

৯. ‘ঠাকুর’ শব্দটি সংস্কৃত ও প্রাকৃতে কী রূপ লাভ করে?
ক) ঠক্কুর
খ) ঠাক্কুর
গ) ঠাকুর
ঘ) টাগর
সঠিক উত্তর: (ক)

১০. ‘রাত্রি’ শব্দটির বিকলাঙ্গ রূপ হচ্ছে –
ক) রাত্তির
খ) রাতি
গ) রাত্র
ঘ) রাত
সঠিক উত্তর: (ক)

১১. কত রকম শব্দ মিলে বাংলা ভাষার শরীর গড়ে উঠেছে?
ক) ২ রকম
খ) ৩ রকম
গ) ৪ রকম
ঘ) ৫ রকম
সঠিক উত্তর: (খ)

১২. বাংলা বাষায় কতটি শব্দ মৌলিক বা বাংলা শব্দ?
ক) ৫২টি
খ) ৪৪টি
গ) ৯৬টি
ঘ) ৯৮টি
সঠিক উত্তর: (গ)

১৩. ‘দ্রাখমে’ – হলো –
ক) একরকম মুদ্রা
খ) একরকম নকশা
গ) একরকম জাতি
ঘ) একরকম পোশাক
সঠিক উত্তর: (ক)

১৪. বাংলা ভাষায় শতকরা কতটি শব্দ তৎসম?
ক) ৪২টি
খ) ৪৪টি
গ) ৪৬টি
ঘ) ৫২টি
সঠিক উত্তর: (খ)

১৫. ‘লাল নীল দীপাবলি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
ক) শামসুর রাহমান
খ) সৈয়দ শামসুল হক
গ) হুমায়ুন আজাদ
ঘ) শাহরিয়ার কবির
সঠিক উত্তর: (গ)

১৬. প্রাকৃতে ‘মাছ’কে কী বলা হয়?
ক) মচ্ছ
খ) মছ্ব
গ) মৎস
ঘ) মৎস্য
সঠিক উত্তর: (ক)

১৭. ‘লাল নীল দীপাবলি’ হুমায়ুন আজাদের কী ধরনের গ্রন্থ?
ক) কাব্যগ্রন্থ
খ) প্রবন্ধ গ্রন্থ
গ) গল্পগ্রন্থ
ঘ) উপন্যাস
সঠিক উত্তর: (খ)

১৮. ‘মচ্ছ’ শব্দটির সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ শব্দ হলো –
i. চন্দ্র
ii. হত্থ
iii. ডিঙ্গি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) ii ও iii
গ) i ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)

১৯. চাকর, চাকু, দারোগা – এ শব্দগুলো কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
ক) ওলন্দাজ
খ) তুর্কি
গ) পাঞ্জাবি
ঘ) ফরাসি
সঠিক উত্তর: (খ)

২০. ‘কুটুম’ শব্দটি সংস্কৃতে কোন রূপ ধারণ করে?
ক) টুকুম
খ) কুটুম্ব
গ) ঘট
ঘ) কট
সঠিক উত্তর: (গ)

২১. ‘বাঙলা শব্দ’ প্রবন্ধে লেখক ‘তীর্থযাত্রী’ বলেছেন –
ক) বাংলা ভাষার আগত শব্দভান্ডারকে
খ) ভাষাতাত্ত্বিকগণকে
গ) আর্যসম্প্রদায়কে
ঘ) কবি-সাহিত্যিকগণকে
সঠিক উত্তর: (ক)

২২. যেসব শব্দের সমন্বয়ে বাংলা ভাষার শরীর গড়ে উঠেছে –
i. তৎসম
ii. অর্ধতৎসম
iii. তদ্ভব
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) ii ও iii
গ) i ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)

২৩. তদ্ভব শব্দকে বাংলা ভাষার প্রাণ বলা হয়, কারণ –
i. বাংলা ভাষার সব শব্দই তদ্ভব শব্দ
ii. বাংলা ভাষার বেশির ভাগ শব্দই তদ্ভব শব্দ
iii. তদ্ভব ভাষা ছাড়া বাংলা ভাষা অসম্ভব
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i
খ) ii
গ) iii
ঘ) ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)

২৪. সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে কোনটি?
ক) তৎসম শব্দ
খ) অর্ধ-তৎসম শব্দ
গ) তদ্ভব শব্দ
ঘ) বিদেশি শব্দ
সঠিক উত্তর: (গ)

২৫. ‘জ্বলো চিতাবাঘ’ হুমায়ুন আজাদের কী ধরনের গ্রন্থ?
ক) উপন্যাস
খ) গদ্যগ্রন্থ
গ) কাব্যগ্রন্থ
ঘ) গবেষণা গ্রন্থ
সঠিক উত্তর: (গ)

২৬. ‘বাংলা ভাষার শরীর’ – দ্বারা লেখক বুঝিযেছেন –
i. ভাষার আঙ্গিক
ii. ভাষার সমৃদ্ধি
iii. ভাষার ব্যাকরণ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) ii ও iii
গ) i ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)

২৭. ‘বাঙলা শব্দ’ প্রবন্ধে শব্দভান্ডারের কয়টি ভাগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
ক) তিনটি
খ) চারটি
গ) পাঁচটি
ঘ) দুটি
সঠিক উত্তর: (খ)

২৮. সংস্কৃত ভাষার অপর নাম হলো –
ক) প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা
খ) মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা
গ) নব্য ভারতীয় আর্য ভাষা
ঘ) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
সঠিক উত্তর: (ক)

২৯. প্রাকৃত শব্দের উদাহরণ হলো – i. মচ্ছ ii. বাঁশি iii. অবিহবা নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) ii ও iii
গ) i ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)

৩০. ‘সুড়ঙ্গ’ শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
ক) সুড়িঙ্গম
খ) সুরিংকস
গ) সুরুংগস
ঘ) সুহিংকস
সঠিক উত্তর: (খ)

এছাড়া ও এই অধ্যায়ের আরো অনেকগুলো MCQ সাজেশন পেতে নিচের পিডিএফ ফাইল টি ডাউনলোড করে নিন

PDF File Download From Here

📝 সাইজঃ- 265 KB

📝 পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ 6

Download From Google Drive

Download

  Direct Download 

Download

Hot this week

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা- ২০১৪ এর প্রশ্ন সমাধান | Primary Assistant Teacher Exam Questions Solution

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ ...

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে SMS এবং অনলাইনে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি। www.xiclassadmission.gov.bd

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সার্কুলার ও প্রয়োজনীয় সকল...

Topics

More

    সমাস কাকে বলে ? কত প্রকার কি কি ? উদাহরণসহ বিস্তারিত

    বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সমাস। সমাস শব্দটির...

    বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (BITAC) আ্যাসিস্টান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদের লিখিত প্রশ্ন সমাধান-২০২৩

    বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (BITAC) আ্যাসিস্টান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদের...

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান-২০০৪ পদের নামঃ-...

    সমাজসেবা অধিদপ্তর এর উপসহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এর অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর এর উপসহকারী পরিচালক/...

    পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদের প্রশ্ন সমাধান-২০১৬

    পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদের প্রশ্ন সমাধান-২০১৬ পদের...

    Related Articles

    Popular Categories

    error: Content is protected !!