Thursday, February 2, 2023
Home Blog

বিসিএসে ইংরেজিতে ভালো করার মূলমন্ত্র | বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজির প্রস্তুতিকৌশল

বিসিএস পরীক্ষার্থীদের অনেকের মধ্যে ইংরেজি ভীতি কাজ করে। অথচ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করার অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে ইংরেজি বিষয়ের ৩৫ নম্বর। এই বিষয়টিতে বেশিরভাগ পরীক্ষার্থীদের দুর্বলতা থাকে। তাই অন্যের weak point কে একটু সতর্ক হলেই আপনি strong point বানাতে পারেন। যা আপনাকে বিসিএস দৌড়ে এগিয়ে রাখবে। এমনটাই মনে করেন ৩৬তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডার হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজের স্নাতক রব্বানি হোসেন। ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার্থীরা সামনের স্বল্প সময়ে ইংরেজি বিষয়ে কীভাবে গুছানো প্রস্তুতি নিবেন সে বিষয়ে মূল্যবান টিপস দিয়েছেন তিনি।
বিসিএস ক্যাডার প্রত্যাশী বন্ধুরা একটু গুরুত্ব দিলেই আপনি ইংরেজিতে ৩৫-এর মধ্যে ২৭ থেকে ২৮ পেয়ে যেতে পারেন। শেষ সময়ে তাই ইংরেজি বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য কিছু টিপস দেয়ার চেষ্টা করছি।

ইংরেজি সাহিত্য, নম্বর ১৫

🎯 ইংরেজি সাহিত্যে ১৫টি প্রশ্ন আসে। নম্বর ১৫। একটু সতর্ক হলেই ইংরেজি সাহিত্যে ভালো করা সম্ভব। নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি সাহিত্যের বিষয়গুলোতে সহজেই ভালো নম্বর পেতে পারেন-
প্রখ্যাত/বিখ্যাত ১০ থেকে ১২ জন লেখকের জীবনী, কর্ম, উক্তি এবং পুরস্কারের বিষয়গুলো শেষবারের মতো ঝালিয়ে নিন। যেমন- William Shakespeare, Christophen Marlean, Edmund Spenser, John Milton, Jonathon Swift, Alexander Pope, William WordsWorth, Sir Watter scat, S.T. Colendge, Jane Austen, P B Shelley, John keats, Tennyson, ˆ. B. Slaw, W. B. Yeats, Pudy and kipling.

🎯 বিভিন্ন যুগ বিশেষত Elizabethian period, Romantic ও Victorian পিরিয়ড। সেই সঙ্গে মডার্ন যুগের উল্লেখযোগ্য লেখক ও প্রভৃতি বিষয়গুলো শেষ সময়ে পড়ে নিতে পারেন। কারণ এখান থেকে প্রশ্ন অবশ্যই এসে থাকে।
🎯literary terms, Awards in Literature (Nobel Price , বুকার পুরস্কার), বিভিন্ন লেখকের ডাকনাম বা পূর্ণ নাম, বিভিন্ন দেশের জাতীয় কবি এবং উল্লেখযোগ্য লেখক প্রভৃতি বিষয়গুলো ঝালিয়ে নিতে পারেন।
🎯 ইংরেজি শোককাব্য (Elegics), মহাকাব্য, Characters এবং সমজাতীয় লেখাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। এখান থেকে ৩৫তম বিসিএস থেকে ৩৭তম বিসিএস পর্যন্ত প্রত্যেকবারই প্রশ্ন আছে।
🎯 ইংরেজি সাহিত্যের জন্য যে কোনো একটা প্রকাশনীর বই পড়তে পারেন। যেমন মিরাকল, প্রফেসরস, AN Easy Approval to English Literature বইগুলো তুলনামূলক ভালো।

ইংরেজি গ্রামার, নম্বর ২০

ইংরেজি ব্যাকরণ অংশের মান ২০ হলেও এর সিলেবাস ব্যাপক। কিন্তু এ অংশের অনেক বিষয়ের দক্ষতা আপনাকে ইংরেজি বিষয়ে প্রিলিমিনারি এবং লিখিত উভয় পরীক্ষায় ভালো করতে সাহায্য করবে। সুতরাং ব্যাপক সিলেবাস বা পড়ার বিষয় থাকলেও বিসিএস প্রিলিমিনারিতে ভালো করে স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে থাকতে চাইলে এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। এসব বিবেচনায় রেখেই ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারির জন্য শেষ সময়ের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করছি-
🎯 বিসিএস প্রিলিমিনারি/লিখিত এবং সার্বিকভাবে ইংরেজি বিষয়ে ভালো করার জন্য word বা ইংরেজি শব্দ জানা অত্যন্ত জরুরি।
কারণ শব্দ জানলেই বাছাই পর্বে আসা synonyms, Antonyms, Spellings, Prefixes, Saffixesসম্পর্কিত প্রশ্নগুলোতে ভালো করা যায়। তবে word বিষয়ের সমস্যা সমাধানকল্পে RE Vocabulary Solution বইটি পড়তে পারেন। আর যারা পড়ে ফেলেছেন তারা শেষ সময়ে আরও একবার ঝালিয়ে নিতে পারেন। মনে রাখবেন বাছাই পর্বে word জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🎯 Parts of speech: BCS Preliminary exam এই অংশটি তুলনামূলক সহজ। কিন্তু তারপরও প্রত্যেক বিসিএসে এখান থেকে প্রশ্ন হওয়ায় শেষ মুহূর্তে এ বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো দেখে নিতে হবে।
🎯 বিসিএস প্রিলিমিনারিতে তুলনামূলক কঠিন বিষয়গুলোর মধ্যে clauses, idioms and phrases বিষয় দুটি অন্যতম। এগুলো থেকে প্রত্যেকবার প্রশ্ন আসায় একটু গুরুত্ব দিয়ে শিখে নিতে পারেন।
🎯 Corrections and Transformations বিষয় দুটি BCS এর ইংরেজি ব্যাকরণের মূল অংশ। যা একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষাতে এবং Free hand writing এ সমান গুত্বপূর্ণ। এই বিষয় দুটির মধ্যে যে অংশগুলো শেষে এসে ঝালিয়ে নিতে হবে সেগুলো হল- Tense, Subject verb agreement, Sentence correction, Voice, narration, Right forms of Verbs প্রভৃতি।

বিসিএস এর জন্য নিচের পোস্টগুলোও পড়ে নিনঃ-

📌 ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ এর PDF ডাউনলোড করুন | English Literature Note

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 নতুন নিয়মে ৩৯ তম স্পেশাল বিসিএস | শুধুমাত্র এমসিকিউ-মৌখিক

📌 Zakirs BCS Special এর ১-২০ মডেল টেস্ট উত্তরসহ PDF ডাউনলোড করুন | বিসিএস প্রস্তুতি

📌 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

📌 ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কে বিস্তারিত + MCQ

📌 নবম/দশম শ্রেণির,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই থেকে ৪০০+টি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

 

রব্বানি হোসেন।

৩৬তম বিসিএস, পুলিশ ক্যাডার

বাংলা, সাধারণ জ্ঞান এবং গণিতের সকল শর্টকাট টেকনিক এর PDF ডাউনলোড করুন

বিসিএস প্রিলি সহ যেকোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শর্টকাট টেকনিকঃ-

দরজায় কড়া নাড়ছে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা। সবার প্রস্তুতি ও হয়তো এগিয়ে চলেছে দ্রুতগতিতেই। আপনাদের শেষ সময়ের প্রস্তুতিকে আরেকটু টেকশই করার জন্য আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি বাংলা, সাধারণ জ্ঞান এবং গণিতের সকল শর্টকাট টেকনিক একসাথে। টেকনিকে শিখুন বাংলা সাহিত্য, সাধারণ জ্ঞান এবং গণিতের সকল শর্টকাট ফর্মুলা। শেষ সময়ে এসে এতকিছু পড়ে অনেকেই হয়তো Confused হয়ে যাচ্ছেন বা বাংলা, সাধারণ জ্ঞান এবং গণিতের অনেক কিছুই ভূলে যাচ্ছেন। আপনার কি সত্যিই এমন অনুভব হচ্ছে??? উত্তর যদি হ্যা, হয় তাহলে আপনার জন্যই আজকের পিডিএফ টি। এই পিডিএফ টি সম্পর্কে এককথায় যদি বলি তাহলে বলতে হয়, বিসিএস প্রিলি, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও যেকোন প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ পরীক্ষায় যত শর্টকাট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তার সবই এই বইটিতে পাবেন।

আমাদের ফেসবুক গ্রুপে Join করেছেন কি?” বিসিএস সহ যেকোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সফল ব্যাক্তিদের বিভিন্ন পরামর্শ, গুরত্বপূর্ণ নোট ও শর্টকাট টিপস পেতে  এখানে ক্লিক করে জয়েন করুন আমাদের Official ফেসবুক গ্রুপে

🗊 সাইজঃ-  ৩.৮৬  এমবি

📝 পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪১

বই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে অনলাইন লাইভ প্রিভিউ 🕮 দেখে নিন তারপর সিদ্ধান্ত নিন ডাউনলোড করবেন কিনা।

Live Preview এখান থেকে Scroll করে দেখতে পারেন। মোবাইলে ছোট দেখালে নিচে ডান পাশে দেখুন IN নামে একটি আইকন আছে সেটাতে ক্লিক করে ডানে বামে Swipe করুন।

Google Drive থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

👀 প্রয়োজনীয় মূর্হুতে 🔍খুঁজে পেতে শেয়ার করে রাখুন.! আপনার প্রিয় মানুষটিকে “send as message”এর মাধ্যমে শেয়ার করুন। হয়তো এই মডেল টেস্ট গুলো তার অনেক কাজে লাগবে এবং উপকারে আসবে।

বিসিএস এর জন্য নিচের পোস্টগুলোও পড়ে নিনঃ

📌 Zakirs BCS Special এর ১-২০ মডেল টেস্ট উত্তরসহ PDF ডাউনলোড করুন | বিসিএস প্রস্তুতি

📌 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

📌 ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কে বিস্তারিত + MCQ

📌 ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ এর PDF ডাউনলোড করুন | English Literature Note

📌 নবম/দশম শ্রেণির,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই থেকে ৪০০+টি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 কেমন হতে পারে ৩৮ তম বিসিএস প্রিলি: পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁদ ? লিখেছেন Satyajit Chakraborty | বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি

📌 শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিন।

📌 বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাব্য,পত্রকাব্য,কবিতা, নাটক এবং উপন্যাস রচনার পেছনের রহস্য | বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি

📌 বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখুন কৌশলে | যতি বা ছেদ চিহ্ন নিয়ে যত তথ্য | বাংলা ২য় পত্র টিপস

📌 সবচেয়ে বেশি বার বিসিএস অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আগত প্রশ্নগুলোর Pdf Download

Zakir’s BCS Special এর ১-২০ মডেল টেস্ট উত্তরসহ PDF ডাউনলোড করুন | বিসিএস প্রস্তুতি

শেষ সময়ে প্রস্তুতি আরো ভালো করুন মডেল টেস্ট দিয়ে। বেশি বেশি চর্চা করার কোন বিকল্প নেই। এই মডেল টেস্ট গুলো বিসিএস, পিএসসি, ব্যাংকার্স রিক্রুটম্যান্ট, শিক্ষক নিয়োগ, বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে সরকারি ও বেসরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অনেক উপকারে আসবে। এই মডেল  গুলো  বিসিএস প্রিলিমিনারি ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাছাই করা সকল প্রশ্ন দিয়ে তৈরী করা হয়েছে।

এই ই-বুক টিতে বুকমার্ক মেনু  ও হাইপার লিংক মেনু   যুক্ত করা হয়েছে ফলে খুব সহজে যে কোন অধ্যায়ে এ ক্লিক করেই যেতে পারবেন স্ক্রল করা লাগবে না। আর সঠিক উত্তর গুলো *** দিয়ে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে।

🗊 সাইজঃ-  ৪.১৮  এমবি

📝 পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৩৫

মোট এমসিকিউঃ- ২০ × ২০০= ৪০০০

Google Drive থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে

Download From Google Drive

Download

Download From Yandex

Download

👀 প্রয়োজনীয় মূর্হুতে🔍খুঁজে পেতে শেয়ার করে রাখুন.! আপনার প্রিয় মানুষটিকে “send as message”এর মাধ্যমে শেয়ার করুন। হয়তো এই মডেল টেস্ট গুলো তার অনেক কাজে লাগবে এবং উপকারে আসবে।

বিসিএস এর জন্য নিচের পোস্টগুলোও পড়ে নিনঃ

📌 বাংলা, সাধারণ জ্ঞান এবং গণিতের সকল শর্টকাট টেকনিক এর PDF ডাউনলোড করুন

📌 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

📌 ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কে বিস্তারিত + MCQ

📌 ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ এর PDF ডাউনলোড করুন | English Literature Note

📌 নবম/দশম শ্রেণির,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই থেকে ৪০০+টি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিন।

📌 বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাব্য,পত্রকাব্য,কবিতা, নাটক এবং উপন্যাস রচনার পেছনের রহস্য | বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি

📌 বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখুন কৌশলে | যতি বা ছেদ চিহ্ন নিয়ে যত তথ্য | বাংলা ২য় পত্র টিপস

📌 সবচেয়ে বেশি বার বিসিএস অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আগত প্রশ্নগুলোর Pdf Download

কৃতজ্ঞতাঃ Zakir’s BCS Special

১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কে বিস্তারিত + MCQ

বিসিএস সহ যেকোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী একটি গুরত্বপূর্ণ টপিক। সব পরীক্ষায়ই কোন না কোন প্রশ্ন আসেই। সে কথা বিবেচনা করে আজ আমরা তার জন্ম  (১৯২০-১৯৭৫) থেকে মৃত্যু অবধি সব কিছু এখানে আলেচনা করার চেষ্টা করেছি। খুব গুরত্বের সাথে প্রত্যেকটা সালের ঘটনাবলী পড়ুন এবং মনে রাখার চেষ্টা করুন। প্রথমেই আসুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিই। তারপর পাবেন বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে গুরত্বর্পূর্ণ সব MCQ

পুরো নোট টি পিডিএফ ডাউনলোড করতে

এখানে ক্লিক করুন

🔰১৯২০, ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন।
🔰১৯২৭: সাত বছর বয়সে গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতিরজনকের প্রাতিষ্ঠানিক ছাত্রজীবনের সূচনা হয়।
🔰১৯২৯: বঙ্গবন্ধুকে গোপালগঞ্জ সীতানাথ একাডেমীর (বা পাবলিক স্কুলে) তৃতীয় শ্রেনীতে ভর্তি করা হয়।
🔰১৯৩৪: মাদারীপুরে ইসলামিয়া হাইস্কুলে পড়ার সময় বঙ্গবন্ধু বেরীবেরি রোগে আক্রান্ত হন।
🔰১৯৩৭: অসুস্থতার কারণে বঙ্গবন্ধুর লেখাপড়া বন্ধ ছিলো, আবার তা শুরু হয়।
🔰১৯৩৮: ১৬ জানুয়ারী: বাংলার প্রধামন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক গোপালগঞ্জ মিশন স্কুল পরিদর্শনে এলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
🔰১৯৩৯: সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ সভা করার দু:সাহসের কারণে বঙ্গবন্ধু প্রথম কারাবরণ করেন।
🔰১৯৩৮: মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি বেগম ফজিলাতুননেসার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
🔰১৯৪২: অসুস্থতার কারণে একটু বেশীবছর বয়সে বঙ্গবন্ধু এন্ট্রাস (প্রবেশিকা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এই বছরেই কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন। এই কলেজের বেকার হোষ্টেলের ২৪নম্বর কক্ষে তিনি থাকতে শুরু করেন।
🔰১৯৪৪: কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদান করেন। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে তিনি রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন। এই বছরই ফরিদপুর ডিষ্টিক্ট এসোসিয়েশনের সম্পাদক নিযুক্ত হন।
🔰১৯৪৬: বঙ্গবন্ধু বিনা প্রতিদ্বদ্বিতায় কলকাতা ইসলামি কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সহকারী নিযুক্ত হন। এই বছরই প্রদেশিক নির্বাচনে তিনি মুসলিম লীগের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
🔰১৯৪৭ : বঙ্গবন্ধু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামিয়া কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন।
🔰১৯৪৭ : ৬ সেপ্টেম্বর, ঢাকায় গণতান্ত্রিক যুব কর্মীদের এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
🔰১৯৪৮ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন।
🔰১৯৪৮ : ২৩ ফেব্রুয়ারী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন উর্দুকে পাকিস্থানের রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে ঘোষণা করলে বঙ্গবন্ধু তার তৎক্ষনিক প্রতিবাদ করেন।
🔰১৯৪৮ : ২ মার্চ, রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
🔰১৯৪৮ : ১১ মার্চ, রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে সাধারণ ধর্মঘট আহবানকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন।
🔰১৯৪৮ : ১৫ মার্চ, বঙ্গবন্ধু কারাগার থেকে মুক্তিপান।
🔰১৯৪৮: ১১ সেপ্টেম্বর: ফরিদপুরের কর্ডন প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করার জন্য বঙ্গবন্ধু আবার গ্রেফতার হন।
🔰১৯৪৯ : ২১ জানুয়ারী: বঙ্গবন্ধু কারাগার থেকে মুক্তিপান।
🔰১৯৪৯ : ৩ মার্চ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা তাদের দাবী দাওয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে ধর্মঘট ঘোষণা করলে বঙ্গবন্ধু তার প্রতি সমর্থন জানান।
🔰১৯৪৯ : ২৯ মার্চ: আন্দোলনে যোগদেয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধুকে অযৌক্তিক ভাবে জরিমানা করে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু তার প্রতি সমর্থন জানান।
🔰১৯৪৮ : ২০ এপ্রিল: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সৃষ্ট আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়।
🔰১৯৪৯ : ২৩ জুন: পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় এবং জেলে থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন।
🔰১৯৪৯ : ২৭ জুলাই: বঙ্গবন্ধু জেল থেকে মুক্তিপান। মুক্তি পেয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে না গিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
🔰১৯৪৯ : পূর্ব বাংলায় দুর্ভিক্ষ শুরু হলে খাদ্যের দাবীতে তিনি আন্দোলন শুরু করেন।
🔰১৯৫০ : ১ জানুয়ারী: এই আন্দোলনের কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
🔰১৯৫২ : ১৪ ফেব্রুয়ারী: বাংলা রাষ্ট্র ভাষার দাবীতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন।
🔰১৯৫২ : ২১ ফেব্রুয়ারী: রাষ্ট্রভাষার দাবীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চলে। শহীদ হন সালাম, রফিক, বরক সহ অনেকে। জেল থেকে বঙ্গবন্ধু এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেন এবং একটানা ৩ দিন অব্যাহত রাখেন।
🔰১৯৫২ : ২৭ ফেব্রুয়ারী: টানা অনশনে অসুস্থ বঙ্গবন্ধুকে স্বাস্থ্যগত কারণে মুক্তিদেয়া হয়।
🔰১৯৫৩ : ১৬ নভেম্বর: প্রাদেশিক আওয়ামী মুসলীম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
🔰১৯৫৩ : ৪ ডিসেম্বর: প্রথম সাধারণ নির্বাচনে সব বিরোধী দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে।
🔰১৯৫৪ : ১০ মার্চ: সাধারণ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে বিজয়ী হয়। বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জের আসনে বিজয়ী হন।
🔰১৯৫৪ : ২ এপ্রিল: যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা গঠিত হয়।
🔰১৯৫৪ : ১৪ মে: বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভায় বয়:কনিষ্ঠ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
🔰১৯৫৪ : ৩০ মে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী সভা বাতিল করেন। বঙ্গবন্ধু এ দিনই করাচী থেকে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং গ্রেফতার হন।
🔰১৯৫৪ : ২৩ নভেম্বর: বঙ্গবন্ধু জামিনে মুক্তি পেলে জেল গেটেই তাকে নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়।
🔰১৯৫৪ : বঙ্গবন্ধু কারাগার থেমে মুক্তিপান।
🔰১৯৫৫ : ৫ জুন: বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
🔰১৯৫৫ : ১৭ জুন: ঢাকার পল্টনের জনসভা থেকে বঙ্গবন্ধু প্রথম পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন দাবী করেন।
🔰১৯৫৫ : ২১ অক্টোবর: আওয়ামী মুসলিম লীগের বিশেষ কাউন্সিল অধিবেশন ধর্ম নিরপেক্ষতা আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দ প্রত্যাহার করে নতুন নামকরণ করা হয় আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু পুনরায় দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
🔰১৯৫৮ : ৭ অক্টোবর: জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার শাহেদ আলীর উপর আক্রমন এবং তার মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারী করেন।
🔰১৯৫৮ : ১২ অক্টোবর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এসময় তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেয়া হয়।
🔰১৯৫৯ : ৫ অক্টোবর: বঙ্গবন্ধু মুক্তি পান কিন্তু তার গতিবিধির উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়। এ সময় তিনি বার বার গ্রেফতার হন এবং ছাড়া পান।
🔰১৯৬২ : ২ জুন: চার বছরের সামরিক শাসনের অবসান ঘটলে ১৮ জুন শেখ মুজিব মুক্তি লাভ করেন।
🔰১৯৬৪ : ২৫ জানুয়ারী: বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবত করা হয়।
🔰১৯৬৪ : ৫, ১১ মার্চ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বিরোধি দাঙ্গা প্রতিরোধ কমিটি গঠিত হয়।
🔰১৯৬৪ : ২৬ জুলাই: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিত বিরোধি দল কঅপ (কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি গঠিত হয়।)
🔰১৯৬৫ : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কঅপ এর পক্ষ থেকে মিস ফাতিমা জিন্নাহকে প্রার্থী দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু ফাতিমা জিন্নাহর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ১৪দিন আগে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়।

বিসিএস সহ সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ও সফল ব্যাক্তিদের পরামর্শ পেতে এখনই Join করুন আমাদের Official ফেসবুক Group “বিসিএস বুলেটিন” এ।

🔰১৯৬৬ : ১৮ মার্চ: আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ৬ দফা গৃহীত হয়। এরপর তিনি ৬ দফার পক্ষে দেশ ব্যাপী ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেন এ সময় তাকে সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বার বার গ্রেফতার করা হয়। ৩ মাসে তিনি ৮ বার গ্রেফতার হন। শেষ বার তাকে গ্রেফতার করে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়।
🔰১৯৬৮ : ৩ জানুয়ারী: পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে এক নম্বর আসামী করে মোট ৩৫জন বাঙ্গালী সেনা ও সিএসপি অফিসারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে বিছিন্ন করার অভিযোগে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
🔰১৯৬৮ : ২৮ জানুয়ারী: নিজেকে নির্দোষ দাবী করে আদালতে লিখিত বিবৃতি দেন। এই বিবৃতি পড়ে বঙ্গবন্ধুর মুক্তি ও তার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে আন্দালন গন অভুঙ্খানে রূপ নেয়। ছাত্র সমাজ ছয় দফার সমর্থনে ১১ দফা দাবী উপস্থাপন করে।
🔰১৯৬৯ : ৩০ জানুয়ারী: উদ্ভুত পরিস্থিতি ঠেকাতে আলোচনার জন্য বঙ্গবন্ধুকে প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব দেয় পাকিস্তানী জান্তা সরকার। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সে প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেন।
🔰১৯৬৯ : ১৫ ফেব্রুয়ারী: ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে মামলার অন্যতম আসামী সাজেন্ট জহুরুল হককে নির্মম ভাবে হত্যা করা হলে বিক্ষুব্ধ জনতা বাধ ভাঙ্গা বন্যার মতো রাস্তায় নেমে আসে।
🔰১৯৬৯ : ২২ ফেব্রুয়ারী: তীব্র গণআন্দোলনের মুখে সরকার রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য শিরোনামে মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়।
🔰১৯৬৯ : ২৩ ফেব্রুয়ারী: ডাকসু এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবকে এক বিশাল সম্বর্ধনা দেয়ার আয়োজন করে। ঐ সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
🔰১৯৬৯ : ১০ মার্চ: রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আইয়ুব খান গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেন। গোল টেবিলে ৬ দফার পক্ষে বঙ্গবন্ধু দৃঢ় অবস্থান নেন। তবে ঐ বৈঠক ব্যর্থ হয়।
🔰১৯৬৯ : ২৫ মার্চ: রাওয়াল পিন্ডি গোল টেবিল বৈঠক ব্যর্থ হবার প্রেক্ষিতে আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ইয়াহিয়া সামরিক শাসন জারী করেন।
🔰১৯৬৯ : ২৮ নভেম্বর: জাতির উদ্দেশ্যে এক বেতার ভাষণে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ এর ১ জানুয়ারী থেকে রাজনৈতিক কর্মকান্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষনা দেন। ঐ বছরের শেষ ভাগে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথাও ঘোষণা করেন।
🔰১৯৭০ : ১ জানুয়ারী: ১৯৫৮ সালের পর প্রথম রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। বঙ্গবন্ধু প্রথম দিন থেকেই ৬ দফার পক্ষে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেন।
🔰১৯৭০ : ৪ জুন: নির্বাচনকে সামনে রেখে মতিঝিল ইডেন হোটেল প্রাঙ্গনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হয়। কাউন্সিলে আওয়ামী লীগ একক ভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
🔰১৯৭০ : ৫ জুন: পূর্ব পাকিস্তানের নির্বাচনী এলাকা বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে ৩১০টি আসন আর জাতীয় পরিষদে ১৬৯টি আসন নিদির্ষ্ট করা হয়।
🔰১৯৭০ : ১৫ আগষ্ট: প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন যথাক্রমে ৭ ও ১৭ ডিসেম্বর।
🔰১৯৭০ : ৮ অক্টোবর: ইসলামাবাদ থেকে ১৯টি রাজনৈতিক দলের প্রতীক ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। স্মরনীয় যে, ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলার সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিলো নৌকা।
🔰১৯৭০ : ২৮ অক্টোবর: বঙ্গবন্ধু বেতার ও টেলিভিশনে নির্বাচনী ভাষণ দেন। তিনি বলে, প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়েই আওয়ামী লীগের জন্ম। তার সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই আওয়ামী লীগের বিকাশ । তিনি দেশবাসীর কাছে ছয় দফার পক্ষে ম্যান্ডেট চান।
🔰১৯৭০ : ১২ নভেম্বর: পূর্ব বাংলায় ভয়াবহ ঝড় এবং জলোচ্ছাসে ১০/১২ লাখ মানুষ মারা যান। বঙ্গবন্ধু তার নির্বাচনী প্রচারণা স্থগিত করে ত্রাণ কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি এই অঞ্চলের জনগনের প্রতি চরম উদাসীনতা তুলে ধরেন। এই সময় সোনার বাংলা শ্মশান কেনো শিরোনামে তথ্য সম্বলিত একটি পোষ্টার জাতিকে নাড়া দেয়।
🔰১৯৭০ : ৭ ডিসেম্বর: বন্যা-দুর্গত এলাকা বাদে জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে। পাকিস্তান পিপলস পার্টি পায় ৮৮টি আসন।
🔰১৯৭০ : ১৭ ডিসেম্বর: প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান ২৯৮টি আসন লাভ করে।
🔰১৯৭১: ৩ জানুয়ারী: আওয়ামী লীগের সকল নির্বাচিত সদস্য ৬ দফার ভিত্তিতে শাসনতন্ত্র প্রনয়ন তথা ৬ দফা বাস্তবায়নের শপথ গ্রহণ করেন। আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি এই রবীন্দ্র সংগীতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। বঙ্গবন্ধু জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে বাঙালী জাতির মুক্তির সংকল্প ব্যক্ত করেন। শপথ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সংগীতের পর জয় বাংলা বাংলার জয়। গানটি পরিবেশিত হয়।
🔰১৯৭১ : ১০ জানুয়ারী: প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় আসেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সংগে তিন দফা বৈঠক করেন। ৪দিন পর ফিরে আসার সময় তিনি বলেন শেখ মুজিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।
🔰১৯৭১ : ২৭ জানুয়ারী: জুলফিকার আলী ভূট্টো ঢাকা এসে বঙ্গবন্ধুর সংগে কয়েকদফা আলোচনা করেন। কিন্তু ভূট্টোর সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হয়।
🔰১৯৭১ : ১৩ ফেব্রুয়ারী: এক সরকারী ঘোষণায় বলা হয় প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় ৩ মার্চ ১৯৭১ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন।
🔰১৯৭১ : ১ মার্চ: জাতীয় পরিষদ অধিবেশনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু হয় হোটেল পূর্বানীতে। ঐ দিনই আকস্মিক ভাবে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনিদিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষনা করেন। সারা বাংলা ক্ষোভে ফেটে পরে। বিক্ষুদ্ধ জনসমুদ্রে পরিণত হয় রাজপথ। বঙ্গবন্ধু এটাকে শাসকদের আরেকটি চক্রান্ত বলে চিহ্নিত করেন। তিনি ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।
🔰১৯৭১ : ২ মার্চ: ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ডাকে স্বত:স্ফুর্ত হরতাল পালিত হয়। উত্তাল জনস্রোতে ঢাকা পরিণত হয় এক বিক্ষোভের শহরে। জান্তা সরকার ঢাকা শহরের পৌর এলাকায় সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কারফিউ জারী করেন।
🔰১৯৭১ : ৩ মার্চ: বিক্ষুদ্ধ জনতা কারফিউ উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। সামরিক জান্তার গুলিতে মারা যান ৩জন আহত হন কমপক্ষে ৬০জন। এই সময় পুরো দেশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত হতে থাকে।
🔰১৯৭১ : ৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধু তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে এক যুগান্তকারী ভাষনে ঘোষণা করেন, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষনে ষ্পষ্ট হয়ে যায় স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যত। সারাদেশে শুরু হয় এক অভূতপূর্ব অসযোগ আন্দোলন।
🔰১৯৭১ : ১৬ মার্চ: বিস্ফোরণমুখ বাংলাদেশে আসেন ইয়াহিয়া খান। বঙ্গবন্ধুর সংগে তার দীর্ঘ আলোচনা শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু তার গাড়ীতে কালো পতাকা উড়িয়ে হেয়ার রোডে প্রেসিডেন্ট ভবনে আলোচনার জন্য যান।
🔰১৯৭১ : ১৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম জন্মদিন। এই দিন ইয়াহিয়া খানের সংগে দ্বিতীয় দফা আলোচনা থেকে ফিরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলে এদেশে জন্ম দিনই বা কি আর মৃত্যু দিনই বা কি আমার জনগনই আমার জীবন।
🔰১৯৭১ : ২৩ মার্চ: কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালনের ঘোষনা দেন। সমস্ত সরকারী এবং বেসরকারী ভবনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু এদিন সরকারী ছুটি ঘোষনা করেন।
🔰১৯৭১ : ২৫ মার্চ: পৃথিবীর ইতিহাসে এক নৃশংসতম কালো রাত্রি ২৫ মার্চ। এদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে মানুষের ঢল নামে। সন্ধ্যায় খবর পাওয়া যায় ইয়াহিয়া ঢাকা ত্যাগ করেছেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সাথে বৈঠক করেন। তার সাড়ে এগারটায় শুরু হয় অপারেশন সার্চ লাইট। ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা।
🔰১৯৭১ : ২৬ মার্চ: ১২-৩০ মিনিট ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হবার আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাবার্তা ওয়ারলেস যোগে চট্টগ্রামের জহুরুল আহমেদ চৌধুরীকে প্রেরণ করেন। চট্টগ্রাম বেতার থেকে আওয়ামী লীগ নেতা হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার বানী স্বকন্ঠে প্রচার করেন। পরে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামে অবস্থিত অষ্টম ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান ঐ ঘোষণা পূণ:পাঠ করেন। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে করাচীতে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔰১৯৭১ : ২৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন এবং স্বাধীনতার ঘোষণার আলোকে বীর বাঙালী গড়ে তোলে স্বত:স্ফুর্ত প্রতিরোধ। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরবজ্জল অধ্যায়।
🔰১৯৭১ : ১৭ এপ্রিল: তৎকালীন মেহেরপুর মহকুমার ভবের পাড়ার (বৈদ্যনাথ তলা) আমবাগানে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে নতুন মন্ত্রীসভা গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহম্মদ ঘোষণা করেন আজ থেকে (১৭ এপ্রিল) বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিব নগর এবং অস্থায়ী রাজধানী মুজিব নগর থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনা করা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
🔰১৯৭১ : ২৫ মে: ক্রমেই মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হতে শুরু করে। সংগঠিত হয় প্রবাসী সরকার। ২৫ মে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু হয়। এই কেন্দ্রের সিগনেচার টিউন ছিলো জয় বাংলা বাংলার জয়। কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচারিত হতে থাকে। এই কেন্দ্র থেকে প্রচারিত শোন একটি মুজিবরের কন্ঠে…… গানটি বাঙালীর উদ্দীপনা বাড়িয়ে দেয়।
🔰১৯৭১ : ৩ আগষ্ট: পাকিস্তান টেলিভিশন থেকে বলা হয় ১১ আগষ্ট থেকে সামরিক আদালতে বঙ্গবন্ধুর বিচার শুরু হবে। এই ঘোষণায় বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ এবং উদ্বেগের ঝড় বয়ে যায়। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রবাসী বাঙালীরা আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজীবী সন ম্যাকব্রাইডকে ইসলামাবাদে পাঠান। কিন্তু পাকিস্তানী জান্তা সরকার বিদেশী আইনজীবী নিয়োগে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে।
🔰১৯৭১ : ১০ আগষ্ট: পাকিস্তানী জান্তা সরকার বঙ্গবন্ধুর পক্ষ সমর্থনের জন্য আইনজীবী একে ব্রোহীকে নিয়োগ দেয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে যখন ২৬ মার্চ ইয়াহিয়া খানের ভাষনের টেপ শোনানো হয় তখন তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনে অস্বীকার করেন এবং ব্রোহীকে অব্যহতি দেন। জাতীয় ও আন্তজার্তিক ভাবে বাংলাদেশের পক্ষে ব্যাপক জনমত তৈরী হয়। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতার স্বপ্ন বস্তবতা স্পর্শ করতে থাকে।
🔰১৯৭১ : ১১ নভেম্বর: বঙ্গবন্ধুকে ইয়াহিয়া খানের সামনে হাজির করা হয়। ইয়াহিয়ার সংগে ছিলেন ভূট্টো এবং জেনারেল আকবর। ইয়াহিয়া করমর্দনের জন্য হাত বাড়ালে বঙ্গবন্ধু বলে দুঃখিত ও হাতে বাঙালীর রক্ত লেগে আছে ও হাত আমি স্পর্শ করবো না। এ সময় অনিবার্য বিজয়ের দিকে এগুতে থাকে আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।
🔰১৯৭১ : ২ ডিসেম্বর: বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের মুক্তির সংগ্রাম যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন লায়ালাপুর কারাগারে ইয়াহিয়া বঙ্গবন্ধুর সংগে সমঝোতার প্রস্তাব দেন। কিন্তু ঐ সমঝোতা প্রস্তাব বঙ্গবন্ধু ঘৃনাভরে প্রত্যাখান করেন।
🔰১৯৭১ : ১৬ ডিসেম্বর: ত্রিশ লাখ শহীদ এবং তিন লাখ মা বোনের ইজ্জ্বতের বিনিময়ে আসে আমাদের বিজয়। বাঙালী জাতি মুক্ত হয় পরাধীনতার শৃংখল থেকে। কিন্তু মুক্তির অপূর্ণতা রয়ে যায় স্বাধীনতার স্থাপতি তখন নির্জন কারাগারে।
🔰১৯৭২ : ৩ জানুয়ারী: পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে জুলফিকার আলী ভূট্টো করাচীতে ঘোষণা করেন শেখ মুজিবকে বিনা শর্তে মুক্তি দেয়া হবে।
🔰১৯৭২ : ৮ জানুয়ারী: বঙ্গবন্ধু কারাগার থেকে মুক্তি পান। পিআইয়ের একটি বিশেষ বিমানে বঙ্গবন্ধুকে লন্ডনে পাঠানো হয়। ৮ জানুয়ারী ভোরে বঙ্গবন্ধু লন্ডনে পৌছেন। তার হোটেলের সামনে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা করেন আমি আমার জনগনের কাছে ফিরে যেতে চাই।
🔰১৯৭২ : ১০ জানুয়ারী: সকালে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হীথের আগ্রহে ব্রিটেনের রাজকীয় বিমান বাহিনীর এক বিশেষ বিমানে বঙ্গবন্ধু নয়া দিল্লী পৌছালে রাষ্ট্রপতি ভি.ভি গিরি এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরাগান্ধী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান। বিমান বন্দরে বঙ্গবন্ধু বলেন অশুভের বিরুদ্ধে শুভের বিজয় হয়েছে। ঐ দিন বিকেলে ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। লাখো মানুষের জনস্রোত, বাঁধভাঙ্গা আবেগে অশ্রসিক্ত জাতিরপিতা বলেন আজ আমার জীবনের স্বাদপূর্ণ হয়েছে ।ঐ দিন জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু হৃদয়কাড়া এক ভাষণ দেন। ঐ রাতেই তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
🔰১৯৭২ : ১২ জানুয়ারী: দেশে রাষ্ট্রপতি শাসনের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন কাঠামো প্রবর্তন করে নতুন মন্ত্রী পরিষদ গঠন করে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
🔰১৯৭২ : ১২ মার্চ: স্বাধীনতার মাত্র ৫০ দিনের মধ্যে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয়।
🔰১৯৭২ : ২৬ মার্চ: শোষনহীন সমাজ গঠনের অঙ্গীকারের মধ্যে দিয়ে প্রথম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়।
🔰১৯৭২ :২০ এপ্রিল: শুরু হয় গণপরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষনা সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়।
🔰১৯৭২ : ৪ নভেম্বর: গণপরিষদে বাংলাদেশের খসড়া শাসনতন্ত্র অনুমোদিত হয়। এ উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষনে বঙ্গবন্ধু বলেন বিজয়ের ৯ মাসের মধ্যে শাসনতন্ত্র দেয়া, মানুষের মৌলিক অধিকার দেয়ার অর্থ হলো জনগনের উপর বিশ্বাস করি।
🔰১৯৭২ : ১৬ ডিসেম্বর: নতুন সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাতিল করা হয় গণপরিষদ।
🔰১৯৭২ : ৭ মার্চ: নতুন সংবিধানের আওতায় বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জাতির জনকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ৩০০টির মদ্যে ২৯২টি আসনে বিজয়ী হয়।
🔰১৯৭৩ : ৩ সেপ্টেম্বর: আওয়ামীলীগ, সিপিবি ও ন্যাপের সমন্বয়ে ত্রিদলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়।
🔰১৯৭৪ : ২৩ সেপ্টেম্বর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাঙালী নেতা হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিণষষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেন।
🔰১৯৭৫ : ২৫ জানুয়ারী: দেশে বিরাজমান পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু জাতীয় সংসদে চতুর্থ সংশোধনী বিল পাশ করেন। এই বিলের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।
🔰১৯৭৫ : ২৫ ফেব্রুয়ারী: রাষ্ট্রপতি এক ডিগ্রীর মাধ্যমে সমস্ত রাজনৈতিক দলের সম্মিলনে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামে একটি নতুন একক রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
🔰১৯৭৫ : ১৫ আগষ্ট: স্বাধীনতা বিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের ষড়যন্ত্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে শহীদ হন।

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে গুরত্বপূর্ণ কিছু MCQ

> শেখ মুজিবের বাবার নাম-শেখ লুতফর রহমান।

> শেখ মুজিবের মায়ের নাম-সায়েরা খাতুন।

> শেখ মুজিবের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিনকে শিশু দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব করেন ড, নীলিমা ইব্রাহিম।

> শেখ মুজিবের ছাড় বোন দুই ভাই ছিলেন।

> শেখ মুজিব ভাই বোন দের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন।

> শেখ মুজিবের ডাক নাম খোকা।

> শেখ মুজিবের উচ্চতা ছিল ৫ ফিট ১১ ইঞ্চি।ছ।

> শেখ বেরি বেরি রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

⭕ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির লেখকের নাম কী?

উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম কত সালে, কোথায়?

উত্তর: ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।

বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় কোন স্কুলে?

উত্তর: গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

বঙ্গবন্ধু ম্যাট্রিক পাশ করেন কোন স্কুল থেকে, কত সালে?

উত্তর: গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে, ১৯৪২ সালে।

বঙ্গবন্ধু কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের বেকার হোষ্টেলের কত নম্বর কক্ষে থাকতেন?

উত্তর: ২৪ নম্বর কক্ষে।

বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন কীভাবে?

উত্তর: ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধু কত সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সহকারী নিযুক্ত হন?

উত্তর: ১৯৪৬ সালে।

বঙ্গবন্ধু বিএ পাশ করেন কত সালে, কোন কলেজ থেকে?

উত্তর: ১৯৪৭ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে।

বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?

উত্তর: আইন বিভাগের।

বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কত সালে কেন বহিস্কৃত হন?

উত্তর: ১৯৪৯ সালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করায় তাঁকে বহিস্কার করা হয়।

বঙ্গবন্ধু জীবনে প্রথম কারাভোগ করেন কত সালে?

উত্তর: ১৯৩৯ সালে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ সভা করার কারণে তাঁকে কারভোগ করতে হয়।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেখানে কী পদ পান?

উত্তর: যুগ্ম সম্পাদক।

১৯৫২ সালের কত তারিখে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন?

উত্তর: ১৪ ফেব্রুয়ারি।

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কোন আসনে বিজয়ী হন?

উত্তর: গোপালগঞ্জ আসনে।

বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রীসভায় সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন?

উত্তর: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভায়।

⭕ ১৯৬৪ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিত বিরোধী দল গঠন করা হয়। দলটির নাম কী?

উত্তর: কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি।

বঙ্গবন্ধু মুজিব ছয়দফা ১ম কবে ঘোষনা করেন?

উত্তর: ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬

আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ৬ দফা গৃহীত হয় কত সালে?

উত্তর: ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ছয়দফা ঘোষনা করেন?

উত্তর: ২৩ মার্চ ১৯৬৬

কোন প্রস্তাবের ভিত্তিতে ছয়দফা রচিত হয়?

উত্তর: লাহোর প্রস্তাব

ছয়দফার প্রথম দফা কি ছিল?

উত্তর: স্বায়ত্বশাসন

‘বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত কোনটি?

উত্তর: ছয় দফা।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল কত জন? বঙ্গবন্ধু কততম আসামী ছিলেন?

উত্তর: ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন ১ নং আসামী।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কী নামে দায়ের করা হয়েছিল?

উত্তর: রাষ্ট্রদ্রোহীতা বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য।

শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় কত সালে?

উত্তর: ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।

⭕ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি কে দেন?

উত্তর: তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।

কোথায় ‘বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়?

উত্তর: রেসকোর্স ময়দানে।

বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে ‘বাংলাদেশ’ নামকরন করেন কত সালে?

উত্তর: ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ ।

বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ কোথায় দেন?

উত্তর: ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দি উদ্যোন নামে পরিচিতি।

বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য কী ছিল?

উত্তর: এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।

বঙ্গবন্ধু কখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?

উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত অস্থায়ী সরকারের বঙ্গবন্ধুর পদ কী ছিল?

উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদ ছিল রাষ্ট্রপতি।

বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান কবে?

উত্তর: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি।

বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরেন কবে?

উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, যা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নামে পরিচিত।

⭕ বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন কত তারিখে?

উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি।

বঙ্গবন্ধু প্রথম নেতা হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেন কত সালে, কত তারিখে?

উত্তর: ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।

বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হন কত তারিখে?

উত্তর: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট।

বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর নাম কী?

উত্তর: শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।

বঙ্গবন্ধুর ছেলে–মেয়ে কত জন? তাদের নাম কী?

উত্তর: ৫ জন। তিন ছেলে দুই মেয়ে। শেখ হাসিনা, শেখ কামাল, শেখ রেহানা, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল

বঙ্গবন্ধু জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে।

 বঙ্গবন্ধু কতদিন কারাবাস ছিলেন?
→মোট ৪৬৮২ দিন।
 পূর্ব বাংলার নাম পূর্ব পাকিস্তান হয় কবে?
→২৩ মার্চ ১৯৫৬ সালে।
 পূর্ব পাকিস্তানের নাম “বাংলাদেশ” করা হয় কবে?
→৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে।
 বঙ্গবন্ধু “বাংলাদেশ” নামটি নিয়েছিলেন?
→রবীন্দ্রনাথের “বাংলাদেশের হৃদয়” নামক কবিতা থেকে।
 ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু সহ মোট কতজনকে খুন করা হয়?
→২২জন।
 বঙ্গবন্ধুর ঘাতক কে?
→মেজর নূর।
 বঙ্গবন্ধুর শরীরে কতটি গুলি পাওয়া যায়?
→১৮টি।
 বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় কত জনের ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়?
→১২জনের।
 বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ফাঁসির আদেশ প্রাপ্ত কতজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়?
→৫ জনের।
 বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিবনগর রাখেন কে.?
→তাজউদ্দিন আহমদ।

আপনি আমাদের ব্লগে নতুন হলে বিসিএস এর জন্য নিচের পোস্টগুলোও পড়ে নিনঃ-

📌 শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিন।

📌 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

📌 ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ এর PDF ডাউনলোড করুন | English Literature Note

📌 নবম/দশম শ্রেণির,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই থেকে ৪০০+টি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাব্য,পত্রকাব্য,কবিতা, নাটক এবং উপন্যাস রচনার পেছনের রহস্য | বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি

📌 বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখুন কৌশলে | যতি বা ছেদ চিহ্ন নিয়ে যত তথ্য | বাংলা ২য় পত্র টিপস

📌 সবচেয়ে বেশি বার বিসিএস অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আগত প্রশ্নগুলোর Pdf Download

ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ এর PDF ডাউনলোড করুন | English Literature Note

এই PDF File টিতে ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ প্রশ্নোত্তর রয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নই অপশন আকারে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রশ্নগুলো থেকে যেকোন পরীক্ষায় ইংরেজী সাহিত্য অংশ থেকে সবার্ধিক প্রশ্ন কমন পাবেন। এই  PDF টিতে ৭৩ টি পৃষ্টা রয়েছে। সাইজ মাত্র ২.৫২ MB।

Download From Google Drive

Download

Direct Download 

Download

 Download From Dropbox

Download

বিসিএস এর জন্য নিচের পোস্টগুলোও পড়ে নিনঃ

📌 বিসিএসে ইংরেজিতে ভালো করার মূলমন্ত্র | বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজির প্রস্তুতিকৌশল

📌 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিন।

📌 বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাব্য,পত্রকাব্য,কবিতা, নাটক এবং উপন্যাস রচনার পেছনের রহস্য | বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি

📌 বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখুন কৌশলে | যতি বা ছেদ চিহ্ন নিয়ে যত তথ্য | বাংলা ২য় পত্র টিপস

📌 সবচেয়ে বেশি বার বিসিএস অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আগত প্রশ্নগুলোর Pdf Download

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চ পান্ডব সম্পর্কে A to Z তথ্য +MCQ এর PDF Download

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চ পান্ডব বলা হয় কোন কবিদের?

ত্রিশের দশকের বিশিষ্ঠ ৫ জন কবি রবীন্দ্র প্রভাবের বাইরে গিয়ে বাংলা ভাষায় আধুনিক কবিতা সৃষ্টি করেছিলেন। তাদের ৫ জনকে বাংলা সাহিত্যে পঞ্চ পান্ডব/ ত্রিশের কবি/কল্লোলের কবি বলা হয়। তারা হলেনঃ- ১.অমিয় চক্রবর্তী ২. বুদ্ধদেব বসু ৩. জীবনানন্দ দাশ ৪. বিষ্ণু দে ৫. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

পিএসসি নির্ধারিত ১১ জন সাহিত্যিক এর পরেই এই ৫ জন সম্পর্কে জানা খুবই গুরত্বপূর্ণ।

নিচে তাদের জীবনী সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল।

অমিয় চক্রবর্তীঃ (১৯০১-১৯৮৬)  কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ। তাঁর পিতা দ্বিজেশচন্দ্র চক্রবর্তী আসামের গৌরীপুর রাজ্যের দীউয়ান ছিলেন। অমিয় চক্রবর্তী পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন ও সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রি লাভ (১৯২৬) করেন। পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)। তিনি ১৯৩৩ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কাজে যোগ দেন এবং ১৯৩৭ সালে সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিফিল ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৪০ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন। ১৯৪৮-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত হাওয়ার্ড, বস্টন ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক প্রাচ্য ধর্ম ও সাহিত্যে অধ্যাপনা কাজে নিয়োজিত ছিলেন। কবি ইয়েটস, জর্জ বার্নাড’শ, আলবার্ট আইনস্টাইন, রবার্টফ্রস্ট, আলবার্ট সোয়ইটজর, বোরিস পান্তেরনাক, পাবলো কাসালস্ প্রমুখ বিশ্ববরেণ্য লেখকদের সঙ্গে তাঁর ছিল অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। প্রায় সব ক’টি মহাদেশের অসংখ্য দেশে নানাবিধ কর্মসূত্রে তিনি ভ্রমণ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে বক্তৃতা দিয়েছেন। এ কারণে অমিয় চক্রবর্তীর কবিতায় আন্তর্জাতিক বিশ্বপরিবেশের অনেক ভৌগোলিক স্থানের নাম, বর্ণনা ও চিত্র লক্ষ করার মতো। তার কবিতা বিশ্বময়তাকে ধারণ করেছে; এটি তার কবিতাকে দিয়েছে বিশিষ্টতা। এ ছাড়া তাঁর কবিতায় আছে এ অঞ্চলের চিরায়ত বিষয় মরমী সুর ও আধ্যাত্মিকতা। অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।

বুদ্ধদেব বসুঃ (১৯০৮-১৯৭৪) সাহিত্যিক, সমালোচক,  সম্পাদক। ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে। জন্মের অল্প পরেই ধনুষ্টংকারে তাঁর মাতৃবিয়োগ ঘটে এবং পিতা ঢাকা বারের উকিল ভূদেবচন্দ্র বসু পরিব্রজ্যা গ্রহণ করে নিরুদ্দেশ হন। এমতাবস্থায় বুদ্ধদেব মাতুলালয়ে লালিত-পালিত হন। তাঁর শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের প্রথমভাগ কাটে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ঢাকায়। ঢাকা থেকে প্রগতি (১৯২৭-১৯২৯) এবং  কলকাতা থেকে কবিতা (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম। কবিতাবিষয়ক কবিতা পত্রিকাটি তখন সাহিত্যিক মহলে উচ্চ প্রশংসা লাভ করে; রবীন্দ্রোত্তর কবিতা-আন্দোলনেও এর ভূমিকা স্বীকৃত। বুদ্ধদেব নিজেও রবীন্দ্র-প্রভাববলয় থেকে বেরিয়ে আসেন।শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল। তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক

জীবনানন্দ দাশঃ (১৮৯৯-১৯৫৪)  কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।জীবনানন্দ বরিশাল ব্রজমোহন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯১৫),  বি এম কলেজ থেকে আই.এ (১৯১৭) এবং কলকাতার  প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বি.এ (১৯১৯) ও ইংরেজিতে এম.এ (১৯২১) পাস করেন। আইন কলেজে ভর্তি হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি পরীক্ষা দেননি। জীবনানন্দ কলকাতা সিটি কলেজে ১৯২২ সালে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯২৯ সালে তিনি সদ্য প্রতিষ্ঠিত বাগেরহাট প্রফুল্লচন্দ্র কলেজে যোগ দেন, কিন্তু কিছুদিন পর চাকরি ছেড়ে কলকাতায় চলে যান। ওই বছরই (১৯২৯) তিনি দিল্লির রামযশ কলেজে যোগ দেন এবং ১৯৩০-এ আবার দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। পরে কিছুকাল বেকার থেকে জীবনানন্দ ১৯৩৫ সালে বরিশালের বিএম কলেজে যোগদান করেন। এভাবে তাঁর কর্মজীবন বিভিন্ন কলেজে অধ্যাপনায় এবং মাঝে মাঝে অন্য পেশায় অতিবাহিত হয়। ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের কিছু আগে তিনি সপরিবারে কলকাতা চলে যান।জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি। পাশ্চাত্যের মডার্নিজম ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বঙ্গীয় সমাজের বিদগ্ধ মধ্যবিত্তের মনন ও চৈতন্যের সমন্বয় ঘটে ওই কাব্যান্দোলনে।

বিষ্ণু দেঃ (১৯০৯-১৯৮২)  কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই  কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম। পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি। কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউট ও সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুলে বিষ্ণু দে অধ্যয়ন করেন। ১৯২৭ সালে তিনি এ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। তারপর বঙ্গবাসী কলেজ থেকে আইএ (১৯৩০), সেন্ট পলস কলেজ থেকে ইংরেজিতে বিএ অনার্স (১৯৩২) এবং থেকে ইংরেজিতে এমএ (১৯৩৪) ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষা সমাপনান্তে তিনি অধ্যাপনাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে ১৯৩৫ সালে কলকাতার রিপন কলেজে যোগদান করেন। পরে  (১৯৪৪-১৯৪৭),  মৌলানা আজাদ কলেজ (১৯৪৭-১৯৬৯) ও কৃষ্ণনগর কলেজে তিনি অধ্যাপনা করেন। বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন। তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। কাব্যভাবনা ও প্রকাশরীতিতে বুদ্ধিবৃত্তি ও মননশীলতাকে অঙ্গীকার করেই তিনি কবিতা লেখেন। তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে। দেশের অতীত ও বর্তমানের নানা বিষয় এবং বিদেশের বিশেষত ইউরোপের শিল্প-সাহিত্যের বিচিত্র প্রসঙ্গ তাঁর কাব্যের শরীর ও চিত্রকল্প নির্মাণ করেছে। এসব কারণে তাঁর কাব্য দুর্বোধ্যতার অভিযোগ থেকে মুক্ত নয়। খ্যাতনামা কবি বিষ্ণু দে ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের সতীর্থ এবং চিত্রশিল্পী যামিনী রায়ের বন্ধু। যামিনী রায়ের অনুপ্রেরণায়ই তিনি শিল্প-সমালোচনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বেশ কয়েকখানি মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেন। তিরিশের কাব্যধারায় বিষ্ণুদের মধ্যেই প্রথম রাবীন্দ্রিক কাব্যবলয় অতিক্রমণের প্রয়াস লক্ষ করা যায়। মার্কসীয় তত্ত্বকে জীবনাবেগ ও শিল্পসম্মত করে উপস্থাপনার ক্ষেত্রে তাঁর সাফল্য অপরিসীম।

সুধীন্দ্রনাথ দত্তঃ (৩০ অক্টোবর ১৯০১ – ২৫ জুন ১৯৬০) বাংলা ভাষার একজন প্রধান আধুনিক কবি। বিংশ শতকের ত্রিশ দশকের যে পাঁচ জন কবি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র প্রভাব কাটিয়ে আধুনিকতার সূচনা ঘটান তাদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ অন্যতম। তাকে বাংলা কবিতায় “ধ্রুপদী রীতির প্রবর্তক” বলা হয়।

[tabs type=”horizontal”][tabs_head][tab_title]ফেসবুকে আমাদের সাথে যুক্ত হোন[/tab_title][/tabs_head][tab]এরকম আরো গুরত্বপূর্ন সব পোস্ট সাথে সাথে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে LIke দিয়ে রাখুন। [/tab][/tabs]

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চ পান্ডব থেকে গুরত্বপূর্ণ  সব MCQ একসাথে দেওয়া হল

জীবনানন্দ দাশ

১। নিচের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস নয়? [৩৮তম বিসিএস /উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তাঃ ০৭]
উত্তর: কবিতার কথা।
২। কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালে আরেক জন কবিও একইর বছরে জন্ম গ্রহন করেন, তিনি কে? [পোস্টমাস্টার জেনারেল (পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রাম)- এর কার্যালয়ের অধীন পোষ্টাল অপারেটর ২০১৭]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
৩। “মহা পৃথিবী” কাব্যগ্রন্থ কার লেখা? [প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষা ২০১৫]
উত্তর: জীবনানন্দ দাস।
৪। সিংহল সমূদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে কে ঘুরেছেন- [জাতীয় রাজস্ব বোর্ডেও কর্মকর্তা (মুক্তিযুদ্ধা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্টি)২০১৫]
উত্তর: জীবনানন্দ দাস।
৫। জীবনানন্দ দাসের জন্মস্থান কোন জেলায়?[১৬তম বিসিএস/প্রবাসী ককল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের সহকারী পরিচালক ২০১২]
উত্তর: বরিশাল জেলা।
৬। ধানসিঁড়ি নদী কোথায় অবস্থিত?[জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষা, খ-ইউনিট : ০৮-০৯/শ্রম অধিদপ্তরে রেজিষ্টারঃ০০]
উত্তর: বরিশাল।
৭। জীবনানন্দ দাসের জন্ম কত সালে?[সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ২০১১]
উত্তর: ১৮৯৯।
৮।কবি জীবনানন্দ দাশের ওপর যে বিদেশী গবেষক গবেষনা করেন তার নাম কী?[পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাঃ০১]
উত্তর: ক্লিনটন বি সীল।
৯। কোন কবির মাও একজন কবি?[ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষা, খ ইউনিটঃ ০৭-০৮]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
১০। তিরিশ দশকের সবচেয়ে ‘তথাকথিত’ কোন গনবিচ্ছিন্ন কবি এখন বেশ জনপ্রিয়?[থানা সহকারী শিক্ষা অফিসারঃ ৯৯]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
১১। কার কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বলা হয়েছে? [আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদঃ ০৭]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
১২। জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ- [আমদানি-রপ্তানি অধিদপ্তরের নির্বাহী অফিসারঃ ৭/কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষন ব্যুরোর উপপরিচালকঃ ০৭]
উত্তর: ঝরা পালক।
১৩। Who is the poet of ‘Ruposhi Bangla’ Poem?[এক্সিম ব্যাংক অফিসারঃ ০৪]
উত্তর: Jibonanda Das
১৪। ‘রূপসী বাংলা’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন?[পল্লী উন্নয়ন বেকার্ডের মাঠ সংগঠক-২০১৪/সোনালী, জনতা, অগ্রনী ও রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারঃ৯৮]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
১৫। জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কিসের পরিচায়ক? [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অধীন সহকারী রসায়নবিদঃ ০১/মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে গবেষনা কর্মকর্তাঃ ৯৮/থানা শিক্ষা অফিসারঃ ৯৬]
উত্তর: স্বদেশ প্রীতি ও নিসর্গময়তা।
১৬। জীবনানন্দ দাশের রচিত কাব্যগ্রন্থ- [১৩তম বিসিএস/কর্মসংস্থান ব্যাংক অ্যাসিসটেন্ট অফিসারঃ ০১/বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী ভূ-পদার্থবিদঃ ৯৮]
উত্তর: ধূসর পান্ডুলিপি
১৭। ‘ধূসর পান্ডুলিপি’ কার রচনা? [তথ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে সহকারী পরিচালকঃ ০৪]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
১৮। ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ কার লেখা? [তথ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে টেলিভিশন প্রকৌশলী গ্রেড-২ঃ ০৪]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
১৯। কোন দুটি জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ? [বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী (সিভিল)২০১৬/উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তাঃ ০৭]
উত্তর: বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পান্ডুলিপি।
২০। ‘বনলতা সেন’ কার রচনা? [সহকারী থানা শিক্ষা অফিসারঃ ০৯]
উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
২১। বাংলা সাহিত্যের একজন আধুনিক কবি ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে এডগার এলেন পো রচিত ‘টু হেলেন’ কবিতা থেকে কোন কবিতাটি রচনা করে? [সহকারী থানা শিক্ষ অফিসারঃ ০৪]
উত্তর: বনলতা সেন।
২২। জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি? [২৮তম বিসিএস]
উত্তর: কবিতার কথা।
২৩। কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়? [দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো সহকারী পরিচালকঃ ০১]
উত্তর: সোনালী কাবিন।
২৪। কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়? [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাদক দ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক- ২০১৩]
উত্তর: বেলা শেষের গান।
২৫। কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়? [প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা- ২০১৩]
উত্তর: অর্কেস্ট্র।
২৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদন করতেন তার নাম- [৮বিজেএস (সহকারী জজ) প্রাথমিক পরীক্ষা ২০১৩]
উত্তর: বাসন্তিকা।
২৭। বুদ্ধদেব বসু কোন দশকের কবি হিসেবে খ্যাত? [সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাঃ ০৭]
উত্তর: ত্রিশ দশকের।
২৮। ‘তিথিডোর’ গ্রন্থের রচিয়াতা- [প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের সহকারী পরিচালক- ২০১২]
উত্তর: বুদ্ধদেব বসু
২৯। বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপান্ডব কাকে বলা হয়? [বিসিআইসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ২০১১]
উত্তর: ৫জন কবিকে।
৩০। কোন কবি পঞ্চ পান্ডবদের একজন? [সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) ২০১২]
উত্তর: বুদ্ধদেব বসু।

অমিয় চক্রবর্ত্তী

৩১। অমিয় চক্রবর্ত্তীর জন্ম কোথায়?
উত্তর: শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ।
৩১। তারজন্ম তারিখ কত?
উত্তর: ১০ই এপ্রিল ১৯০১।
৩২। তার পিতার নাম কী?
উত্তর: দ্বিজেশ চন্দ্র চক্রবর্ত্তী।
৩৩। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কি?
উত্তর: পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ; দর্শন ও সাহিত্যে এম.এ. রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি. ফিল. ডিগ্রি লাভ করেন।
৩৪। তার পেশা কি ছিল?
উত্তর: অধ্যাপনা।
৩৫। তিনি মূলত কি করতেন?
উত্তর: একজন শীর্ষ স্থানীয় আধুনিক কবি।
৩৬। কাদের সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল?
উত্তর: কবি ইয়েটস, জর্জ বার্নাডশ, আলবার্ট আইনস্টাইন, রবার্ট ফ্রস্ট, আলবার্ট সোয়াইটজর প্রমুখ বিশ্ববরেন্য মণীষীর সঙ্গে।
৩৭। তিনি কোন সময়ের কবি ছিলেন?
উত্তর: ত্রিশের দশকের।
৩৮। বাংলা কাব্যের ক্ষেত্রে তার অবস্থান কোথায়?
উত্তর: রবীন্দ্র প্রভাবিত কাব্য-বলয়ের বাইরে।
৩৯। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তিনি কিভাবে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তার সঙ্গে বহুদেশ ভ্রমন করেছেন।
৪০। কবিতা ছাড়াও কিসে তাঁর পরিচিতি লাভ হয়?
উত্তর: গদ্যশিল্পী হিসেবে।
৪১। তাঁর প্রকাশিত বিশেষ কাব্যগ্রন্থগুলো কী কী?
উত্তর: ‘খসড়া’;‘এক মুঠে’; ‘মাটির দেয়াল’; অভিজ্ঞান বসন্ত’; ‘অনিঃশেষ’ ইত্যাদি।
৪২। তাঁর গদ্য রচনাগুলো কী কী?
উত্তর: ‘চলো যা’; ‘সাম্প্রতিক’; ‘পুরবাসী’; ‘পথ অন্তহীন’ ইত্যাদি।
৪৩। বাংলাদেশ কবিতাটি তিনি কোন প্রেক্ষাপটে রচনা করেন?
উত্তর: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট।
৪৪। তিনি কী কী পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তর: ‘ইউনেস্কো পুস্কার’ (১৯৬০), ‘ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমি পুরস্কার’, ভারত সরকার কর্তৃক ‘পদ্মভোষণ’ উপাধি (১৯৭০) প্রাপ্ত।
৪৫। কত সালে তার মৃত্যু?
উত্তর: ১৯৮৬ সালে।

আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিন Like

বিষ্ণু দে

৪৬। বিষ্ণু দে কোথায়, কবে জন্মগ্রহন করেন?
উত্তর: কলকাতা, ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে।
৪৭। তিনি মূলত কি ছিলেন?
উত্তর: কবি, প্রাবন্ধিক ও চিত্র সমালোচক।
৪৮। তিনি কোন সাহিত্য গোষ্টীর লেখক?
উত্তর: কল্লোল সাহিত্য গোষ্টী।
৪৯। তিনি কোন পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর একজন ছিলেন?
উত্তর: পরিচয় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত)
৫০। তার প্রকাশিত অপর পত্রিকার নাম কী?
উত্তর: সাহিত্যপত্র (১৯৪৮)।
৫১। বিষ্ণু দের প্রকাশিত প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম কী?
উত্তর: উর্বশী ও আর্টেমিস (১৯৩৩), চোরাবলি (১৯৩৭), সাত ভাই চম্পা (১৯৪৪), তুমি শুধো পঁচিশে বৈশাখ (১৯৫৮), স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ (১৯৬৩), সেই অন্ধকার চাই (১৩৩৭), রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ (১৩৮০)।
৫২। ‘উর্বশী ও আর্টিমিস’ (১৯৩৩), কাব্যগ্রন্থের পরিচয় দাও?
উত্তর: বিষ্ণু দে রচিত এই কাব্যগ্রন্থ দেশি ও বিদেশি মিথের প্রয়োগ আছে। সনাতন রোমান্টিকতার বিরোধী বিষ্ণু দে-র প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উর্বশী ও আর্টিমিস’ প্রকাশিত হয় ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে। তিনি ঐতিহ্য সচেতন ব্যক্তি ছিলেন বলে আর্টিমিসের চিত্রকল্পের সঙ্গে উর্বশীর চিত্রকল্পের পাশাপাশি স্থান দিয়েছেন। গ্রন্থটির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো : উর্বশী, উর্বসী ও আর্টিমিস, প্রেম, ছেদ, পলায়ন, রাত্রিশেষ ইত্যাদি।
৫৩। তার কাব্য বৈশিষ্ট কী?
উত্তর: তিনি প্রাচ্য ও প্রশ্চাত্য মিথের সঙ্গে বাস্তবতার সংমিশ্রন ঘটান। তা্ছাড়া মার্কসীয় মতবাদকে নিজরে মতো গ্রহন করে প্রয়োগ করেন।
৫৪। তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলোর নাম কী?
উত্তর: সাহিত্যের ভবিষ্যৎ (১৯৬৮), রবীন্দ্রনাথ ও শিল্পসাহিত্যে আধুনিকতা সমস্যা (১৯৬৬)।
৫৫। তাঁর রচিত অনুবাদ সাহিত্যের নাম কী?
উত্তর: এলিয়টের কবিতা (১৯৫০)।
৫৬। তিনি সাহিত্য রচনার জন্য কী কী পুরস্কারে ভূষিত হন?
উত্তর: ১৫৫- তে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার ও ১৯৭২- এ জ্ঞানপীট পুরস্কার।
৫৭। তিনি তাঁর রচনায় কী উপস্থাপনার ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেন?
উত্তর: মার্কসীয় তত্ত্বকে জীবনাবেগ ও শিল্পসম্মত করে।
৫৮। তিনি কত তারিখে মৃত্যুবরন করেন?
উত্তর: ৩রা ডিসেম্বর, ১৯৮২।

বুদ্ধদেব বসু

৫৯। বুদ্ধদেব বসুর জন্মসাল কত?
উত্তর: ৩০শে নভেম্বর, ১৯০৮।
৬০। তিনি কোথায় জন্মগ্রহন করেন?
উত্তর: কুমিল্লা।
৬১। রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে কাকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়?
উত্তর: বুদ্ধদেব বসুকে।
৬২। তিনি মূলত কী কী ছিলেন?
উত্তর: কবি, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
৬৩। তিনি বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন?
উত্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, ইংরেজীতে।
৬৪। জগন্নাথ হলের ছাত্র অবস্থায় তিনি একটি পত্রিকা প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যা আজও বের হয়। তার নাম কী?
উত্তর: বাসন্তিকা।
৬৫। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর নাম কী?
উত্তর: প্রগতি (১৯২৭-২৯) ও কবিতা (১৩৪২-৪৭)।
৬৬। হুমায়ন কবিরের সাথে তাঁর সম্পাদিত ত্রৈমাসিক পত্রিকা কোনটি?
উত্তর: চতুরঙ্গ।
৬৭। ‘কল্কাবতী’ কাব্যগ্রন্থের পরিচয় দাও?
উত্তর: ‘কল্কাবতী’ (১৯৩৭) বুদ্ধদেব বসুর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যের কবিতাগুলির রচনাকাল ১৯২৯-৩৪ এবং প্রধান বিষয় প্রেম। সংগীতময় ভাষা এবং উচ্চারনের সংক্ষেপের জন্য কাব্যগ্রন্থটি সমকালে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল।
৬৮। ‘দময়ন্তী’ কাব্যগ্রন্থের পরিচয় দাও?
উত্তর: ‘দময়ন্তী’ (১৯৪৩) কাব্যগ্রন্থে সংকলিত কবিতাগুলি ১৯৩৫-৪২ সালের মধ্যে রচিত হয়। এই কাব্যের মধ্যে বুদ্ধদেবের কবিতায় একটি পালাবদল লক্ষ করা যায়। দীপ্ত ত্রিপাটীর মতে, এ কাব্য বাৎসল্য ও শৃঙ্গার রসের যৌক্তিক মিলন ঘটেছে।
৬৯। ‘তিথিডোর’ উপন্যাসের পরিচয় দাও?
উত্তর: ‘তিথিডোর’ (১৯৪৮) উপন্যাস প্রথম শ্রাবন, করুন রঙিন পথ, যবনিক কম্পমান এই তিন খন্ডে বিভক্ত বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাব নর-নারীর জীবনযাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনি এ উপন্যাসে বর্ণিত। কাহিনির মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা। এই কাহিনির গীতল বাসা ও কাব্যময়তা এবং এর শেষাংশে প্রযুক্ত ‘চৈতন্যপ্রবাহ’- ধর্মী বর্ণনাভঙ্গি দেখা যার্য়।
৭০। ‘একদা তুমি প্রিয়ে’ উপন্যাস সম্পর্কে লেখ।
উত্তর: পলাশ ও রেবার মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে, তারই স্মৃতি ধরে উভয়ের মনে এক জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়। রেবা নতুনভাবে প্রেমের অভিষেক করতে চায় কিন্তু পলাশ বুঝতে পারে তা সম্ভব নয়। এরকম কাহিনি নিয়ে বুদ্ধদেব বসুর রচিত ‘একদা তুমি প্রিয়ে’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে।
৭১। তাঁর রচিত স্মৃতিকথাগুলোর নাম কী?
উত্তর: আমার ছোটবেলা (১৯৭৩), আমার যৌবন (১৯৭৬)।
৭২। তিনি তাঁর রচনার জন্যে কী কী পুরস্কারে ভূষিত হয়?
উত্তর: সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, পদ্মভূষণ উপাধি ও রবীন্দ্র পুরস্কার।
৭৩। তাঁর মৃত্যু তারিখ কত?
উত্তর: ১৮ই মার্চ, ১৯৭৪।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

৭৪। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কবে, কোথায় জন্মগ্রহন করেন?
উত্তর: ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে অক্টোবর, কলকাতায়।
৭৫। তার পিতা-মাতার নাম কী?
উত্তর: ইন্দুমতী বসুমল্লিক, (দার্শনিক)হীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
৭৬। তাঁর শিক্ষা জীবন কোথায় শুরু হয়?
উত্তর: কাশীতে হিন্দি বলয়ে। তিনি সংস্কৃত, হিন্দি, ইংরেজী পড়তেন। এমন কি ঘরে মায়ের সঙ্গেও হিন্দিতে কথা বলতেন। যে কারনে বাঙালির সন্তান হয়েও তাঁকে পড়ে বাংলা শিখতে হয়।
৭৭। তিনি কোন কোন পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: নব-পর্যায়ে ‘সবুজপত্র’ (প্রকাশনা সহযোগী) : ১৯২৭); দৈনিক ফরওয়ার্ড (সম্পাদকীয় কর্মী: ১৯২৮); ত্রৈমাসিক পরিচয় (সম্পাদক: ১৯৩১); দি স্টেটসম্যান (সহকারী সম্পাদক: ১৯৪৪); দি মাক্সিয়ান ওয়ে (সম্পাদনা সহযোগী: ১৯৪৪)।
৭৮। কোন পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন?
উত্তর: ত্রৈমাসিক ‘পরিচয়’ (১৯৩১)। তিনি একধারে ১২ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। আধুনিক বাংলা সাহিত্যচর্চায় পত্রিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিখা রেখেছে।
৭৯। তাঁর স্ত্রীর নাম লেখ?
উত্তর: ছবি বসু (বিয়ে: ২২/০৭/১৯২৪; বিচ্ছেদ: বৎসরাধিক কাল পর); রাজেস্বরী বসুরায় (বিয়ে: ২৯/০৫/১৯৪৩)।
৮০। তিনি কোন কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছেন?
উত্তর: তন্বী (১৯৩০)। উৎসর্গপত্রে লিখেছেন: ‘রবীন্দনাথ ঠাকুরের শ্রীচরনে অর্ঘ্য। ঋনশোধের জন্য নয়, ঋনস্বীকারের জন্য।’

উপরে ৫ জন কবির জীবনী সম্পর্কে খুব সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে। আপনার যদি তাদের জীবনী সম্পর্কে আরো জানতে আগ্রহ থাকে তাহলে

PDF টি ডাউনলোড করে নিন

Download From Google Drive

Download

 Direct Download

Download

 Download From Dropbox

Download

 এই পিডিএফ টি  অত্যন্ত সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। উপরে উল্লেখিত সকল MCQ গুলোও এই PDF টিতে পাবেন।

pdf টির Live Preview এখান থেকে Scroll করে দেখতে পারেন।

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

বিসিএস পরীক্ষা কী?
সাধারণত সার্ভিস দুই প্রকার। এক) সিভিল সার্ভিস, যেমনঃ প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস, শিক্ষা, কৃষি, মৎস্য ইত্যাদি। দুই) মিলিটারী সার্ভিস, যেমনঃ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ইত্যাদি। বিসিএস এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Civil Service (BCS). পিএসসি Bangladesh Civil Service (Age Qualification and Examination for Direct Recruitment) Rules-2014 এর ভিত্তিতে যে পরীক্ষার মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার বাছাই করে সেই পরীক্ষাই বিসিএস পরীক্ষা।

ক্যাডার কারা?
ক্যাডার মানে একদল চৌকস কর্মকর্তা। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ব্যক্তিই ক্যাডার। পিএসসি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২৭ ধরণের ক্যাডার নিয়োগ দেয়। এদের মধ্যে কিছু জেনারেল ক্যাডার, কিছু টেকনিক্যাল ক্যাডার। প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস ইত্যাদি জেনারেল ক্যাডার। শিক্ষা, কৃষি, মৎস্য, বন ইত্যাদি টেকনিক্যাল ক্যাডার।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কখন ও কিভাবে দেয়?
প্রতিবছর পিএসসি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বিভিন্ন ক্যাডারের শুন্য পদের তালিকা প্রেরণের অনুরোধ করে। শুন্যপদের তালিকা পাওয়ার পর পিএসসি বিভিন্ন ক্যাডারের শুন্য পদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, ফি, পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ, আবেদনের নির্দেশনা ইত্যাদি সম্বলিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd ) ও দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় একমাস আবেদন করার সময় থাকে।

আবেদন করার ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর চার বছরের অনার্স পাস হলেও আপনি বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন, মাস্টার্স হলে তো কথাই নাই। এমনকি চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যায়। কেউ যদি তিন বছরের অনার্স বা পাস কোর্সে পড়ে থাকে তাহলে তাকে অবশ্যই মাস্টার্স পাস হতে হবে। শিক্ষা জীবনে একের অধিক তৃতীয় শ্রেণী থাকলে আপনি যত বড় ডিগ্রীধারীই হোন না কেন, আপনি বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের অযোগ্য।

প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় কী কী থাকে?
আবেদন যাচাই বাছাইয়ের পর প্রথমেই আপনাকে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এই পরীক্ষায় ২০০ টি এমসিকিউ থাকবে। প্রত্যেকটি সঠিক উত্তরের জন্য আপনি ১ মার্ক পাবেন। আর প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য আপনার প্রাপ্ত মার্ক থেকে .৫০ মার্ক কাটা যাবে। যে যে বিষয় থেকে প্রশ্ন থাকবে তা নিম্নরূপ।
# Bengali Language and Literature —- 35 Mark
# English Language and Literature —- 35 Mark
# Bangladesh Affairs —- 30 Mark
# International Affairs —- 20 Mark
# Geography, Environment and Disaster Management —- 10 Mark
# General Science —- 15 Mark
# Computer and Information Technology —- 15 Mark
# Mathematical Reasoning — 15 Mark
# Mental Ability —- 15 Mark
# Ethics, Values and Good governance —- 10 Mark
এই পরীক্ষায় নির্দিষ্ট কোন পাস মার্ক নেই। পিএসসি তাদের ইচ্ছামত একটা নির্দিষ্ট মার্ককে স্টান্ডার্ড ধরে লিখিত পরীক্ষার প্রার্থী বাছাই করে। যে মার্ককে স্টান্ডার্ড ধরে পিএসসি লিখিত পরীক্ষার প্রার্থী বাছাই করে সেটা আমাদের কাছে কাট মার্ক নামে পরিচিত। মনে রাখবেন, প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় পাস মানে আপনি শুধু লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের টিকিট পেলেন। এই পরীক্ষার মার্ক মেধাতালিকা প্রনয়ণে কোন ভূমিকা রাখে না।

লিখিত পরীক্ষায় কী কী থাকে?
যারা প্রিলিমিনারী পরীক্ষার উত্তীর্ণ হবেন তারাই লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আবেদন করার সময় আপনি যদি শুধু জেনারেল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। জেনারেল ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান= ১০০ নম্বর
উল্লেখ্য, প্রতিটি ২০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৪ ঘণ্টা এবং প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। প্রতিটি বিষয়ে পাশ নম্বর ৩০% অর্থাৎ আপনাকে ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬০ নম্বর এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে। এখন কথা হলো, কেউ যদি কোন বিষয়ে ৩০% এর কম পান তাহলে তিনি কি ফেল করবেন? না, তিনি ফেল করবেন না। যে বিষয়ে তিনি ৩০% এর কম নম্বর পাবেন সেই বিষয়ের কোন নম্বর উনার মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। মনে করুন, কোন পরীক্ষার্থী সাধারণ বিজ্ঞান পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৯ নম্বর পেলেন, তাহলে উনার এই নম্বর বাকি পাঁচটা বিষয়ের মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। ফলে সাধারণ বিজ্ঞানের এই ২৯ নম্বর বাদেই যদি পরীক্ষার্থী বাকি পাঁচটা বিষয়ে ন্যুনতম ৪৫০ নম্বর পান তাহলে তিনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
আবেদন করার সময় আপনি যদি শুধু টেকনিক্যাল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন তাহলেও আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। টেকনিক্যাল ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। অনার্সে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর
আবেদন করার সময় আপনি যদি জেনারেল ও টেকনিক্যাল উভয় (Both) ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনাকে মোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বোথ ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান= ১০০ নম্বর
৭। অনার্সে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর

এখন কথা হলো, যারা শুধু জেনারেল বা টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য পরীক্ষা দিবেন, তাঁরা ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিবেন এবং ৪৫০ নম্বর পেলেই ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। কিন্তু বোথ ক্যাডারদের তো ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে সেক্ষেত্রে তাদের পাস মার্ক কত হবে?
বোথ ক্যাডারের ক্ষেত্রে প্রথমে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বর বিবেচনায় নেয়া হবে। এই ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি জেনারেল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান= ১০০ নম্বর
এরপর উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর মধ্যে থেকে বাংলা ২য় পত্র এবং সাধারণ বিজ্ঞানের মোট ২০০ নম্বর বাদ দিন। এর পরিবর্তে অনার্সে পঠিত বিষয়ের ২০০ নম্বর যোগ করুন। এবার নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি টেকনিক্যাল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৭। অনার্সে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর
এভাবে তিনি একই সাথে জেনারেল ক্যাডার এবং টেকনিক্যাল ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হোন তখন আমরা বলি তিনি বোথ ক্যাডারে পাস করেছেন।

ভাইভায় কত নম্বর থাকে?
বিসিএস পরীক্ষার ভাইভায় ২০০ মার্ক থাকে। ৫০% মার্ক মানে ১০০ মার্ক পেলে আপনি পাস। ভাইভা বোর্ড সাধারণত একজন পিএসসি সদস্য, একজন যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও একজন একাডেমিক এক্সপার্ট মোট তিন জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। প্রতিদিন এরকম প্রায় ১৪ টা বোর্ড হয়ে থাকে।

সৈকত তালুকদার
৩৬ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)

সিনিয়র অফিসার, বিকেবি

ভাইভাতে প্রার্থীকে বেকায়দায় ফেলতে যে ১৪টি কৌশলী প্রশ্ন করা হয় | ভাইভা টিপস

ইন্টারভিউয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি করা হয় বেশ কৌশল খাটিয়ে। সাধারণত এসব প্রশ্নের মাধ্যমে প্রার্থীর কাছে থেকে সেই সব তথ্য বের করার চেষ্টা করা হয় যা তারা লুকানোর চেষ্টা করছেন। হঠাৎ করেই এসব প্রশ্ন করে প্রার্থীকে বেকায়দায় ফেলে দিতে চান প্রশ্নকর্তারা, বললেন ‘রিজ্যুমি রাইটারস ইনক’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং এক্সিকিউটিভ ক্যারিয়ার কোচ টিনা নিকোলাই। তবে এসব প্রশ্নের বেশ বাজে দিকও রয়েছে বলে জানান টিনা। তিনি বলেন, অনেক সময়ই এসব প্রশ্নের জবাব হয়তো স্মার্টভাবে দিতে পারেন না প্রার্থীরা। ফলে সত্যিকার কাজের মানুষ হারানোর ভয় থাকে তাতে। এখানে জেনে নিন এমন ১৪টি কৌশলী প্রশ্ন।

১. একটি শব্দে আপনি নিজেকে কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
এ প্রশ্নের মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিত্ব এবং তার ধরণ সম্পর্কে ধারণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তা ছাড়া নিজের সম্পর্কে আপনার ধারণা কী তাও বের হয়ে আসে।
এ প্রশ্নটির জবাব দেওয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং। কারণ আপনি জানেন না এই চাকরিতে কী ধরনের ব্যক্তিত্বের প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে। তা ছাড়া নিজের ব্যক্তিত্বের পুরোটা একটিমাত্র শব্দে বর্ণনা করাটাও অনেক কঠিন।
তাই এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে বেশ সাবধাণতার সঙ্গে, জানালেন ওয়ার্কপ্লেস এক্সপার্ট লিন টেইলর। চাকরির ধরনের ওপর ভিত্তি করে শব্দ নির্বাচন করতে হবে। অ্যাকাউনটেন্ট পদে চাকরির জন্য নিশ্চয়ই ‘ক্রিয়েটিভ’ বা ‘সৃষ্টিশীল’ শব্দটি ব্যবহার করবেন না। বর্তমানে বেশির প্রতিষ্ঠান এমন প্রার্থী খোঁজেন যারা দলবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারে এবং সততা, বিশ্বাযোগ্যতা এবং ত্যাগী মনোভাব সম্পন্ন হন।

২. যে পদের জন্য আবেদন করেছেন তাকে অন্যগুলোর সঙ্গে কিভাবে তুলনা করবেন?
এ প্রশ্ন দিয়ে তারা আসলে জিজ্ঞাসা করছেন, আপনি কি অন্য কোনো চাকরির জন্য আবেদন করেছেন? এর মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয় আপনি চাকরি খুঁজতে কতটা মনোযোগ দিয়েছেন। যখন কথা বেরোতে থাকবে, তখন বোঝা যাবে অন্যান্য কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে আপনার।
যদি বলেন যে শুধু এই চাকরিতেই আবেদন করেছেন তবে বড় ভুল করবেন। ধরে নেওয়া হবে আপনি মিথ্যা ভাইবাবলছেন। যে প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দিচ্ছেন তার সম্পর্কে ইতিবাচক কথা বললে কর্তৃপক্ষ মনে করবে, শেষ পর্যন্ত হয়তো আপনি অন্য কোথাও সুযোগ পেয়ে ঢুকে যাবেন। অন্যদের সম্পর্কেও নেতিবাচক কথা বলা উচিত নয়।
এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো জবাবটি এমন হতে পারে যে, বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আপনি আবেদন করেছেন। তবে এখনো ঠিক করেনটি কোন পথে এগোবেন।

৩. আপনার তিনটি গুণ ও দুর্বলতার কথা কি বলতে পারেন?
এর জবাবে কর্তৃপক্ষ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করবেন যে আপনার মাঝে দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার যোগ্যতা রয়েছে কিনা। আবার দুর্বলতার মাঝেও সম্ভাবনা থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে দুর্বলতা প্রকাশের বিষয়টি খুবই টেনশনের বিষয়। কারণ এমন দুর্বলতা না প্রকাশ পায় যা চাকরির জন্য আপনাকে অযোগ্য করে তোলে। তাই ভালো হয় যদি আগে থেকে এমন প্রশ্নের জবাব ঠিক করে নিয়ে চ্যালেঞ্জটাকে নিয়ে নেওয়া।
এ প্রশ্নের মাধ্যমে চাকরিদাতারা জানতে চান যে, আপনি কাজের জন্য ঠিক আছেন এবং আপনার দুর্বলতাগুলোও ভবিষ্যতে যোগ্যতা হ্রাস করবে না।

আরো পড়ুন: ভাইভা বোর্ডে ইংরেজিতে Introduce Yourself প্রশ্নের ১৯ টা বাছাই করা উত্তর Format PDF Download করুন

৪. আপনি কেন এখানে কাজ করতে চান?
এর মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয় আপনার সবচেয়ে আগ্রহের বিষয়টি। এ ছাড়া এই চাকরি কতোটা প্রয়োজন তাও বুঝতে চান তারা।
নিঃসন্দেহে এখানে কাজ করার কয়েকটি কারণ রয়েছে আপনার। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, এর গুরুত্বের ধারাবাহিকতা। এতে বোঝা যায় আপনার কাছে কোনো বিষয়গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এর মাধ্যমে চাকরিদাতারা বুঝতে চান আপনি তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কতটুকু জেনেছেন এবং বুঝেছেন। আরো বুঝতে চান, আপনি কি আসলে এই চাকরিই চান নাকি যেকোনো একটি হলেই চলবে।

৫. বর্তমান চাকরিটি কেন ছেড়ে দিতে চান?
এর মাধ্যমে আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক দিকগুলো জানতে চাইবেন তারা। অন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত থাকলে তারা জানতে চাইবেন সেখানে কোনো সমস্যায় রয়েছেন কিনা অথবা চাকরিচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিনা।
কেউ বলতে চান না কেনো তিনি বর্তমান চাকরিটি ছেড়ে দিতে চাইছেন। আবার অপছন্দনীয় চাকরির বিষয়েও কেউ বলতে চান না। যদি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে জবাব না দিতে পারেন, তবে চাকরির আশা বাদ দিতে হতে পারে আপনার।
এ প্রশ্নের জবাবে তারা আশা করবেন যে আপনি আসলে আরো চ্যালেঞ্জিং চাকরি খুঁজছেন। আপনার যে যোগ্যতা রয়েছে তার জন্য আরো ব্যাপক ক্ষেত্র ও সুযোগ দরকার- তেমনটাই দেখবে চান তারা।

৬. ক্যারিয়ারের কোন বিষয়টি নিয়ে গর্বে করবেন আপনি?
এর মাধ্যমে জানতে চাওয়া হবে আপনি কোন বিষয়ের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন এবং কোন বিষয়ে আরো এগিয়ে যেতে চান। নিজের সফলতা পর গর্বিত বোধ করেন কিনা তাও বোঝার চেষ্টা করবেন তারা।
ভবিষ্যতে কোন ধরনের কাজ করতে আপনি বেশি আগ্রহ বোধ করবেন তা জানানো কঠিন। তাই নির্দিষ্ট কোনো বিষয় উপস্থাপন করা ঠিক নয়। এমন কিছু বলতে হবে যাতে বহুবিধ কাজের সমন্বয় থাকে।
জবাবের মাধ্যমে আপনার ইতিবাচক মনোভাব দেখতে চাইবেন তারা। এর মাধ্যমে উদ্যমশীলতা ফুটে উঠতে হবে। তারা দেখতে চাইবেন সফলতা অর্জনের প্রতি আপনার তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে কিনা।

৭. কোন ধরনের সহকর্মী এবং বসদের সঙ্গে কাজ করে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সফল হয়েছেন, কেন?
এর মাধ্যমে তারা বুঝতে চাইবেন অন্যের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্ব রয়েছে কিনা এবং তা কী ধরনের। দ্বিতীয়ত তারা বোঝার চেষ্টা করেন, আপনি সর্বোচ্চ সফলতার জন্য কিভাবে কাজ করেন।
অন্যের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অসফল হওয়ার বিষয়ি বর্ণনা করতে গিয়ে সমস্যায় পড়বেন আপনি। আবার বসদের সমস্যা বর্ণনা করতে গিয়ে যদি এমন কিছু বলেন যা ইন্টারভিউয়ে উপস্থিত কোনো বসের বদ অভ্যাসের কথা তুলে ধরে, তবে তা একটা ঝামেলা।
এ প্রশ্নের জবাবে প্রশ্নকর্তারা খারাপের চেয়ে ভালো কথাই বেশি আশা করেন। তবে সবচেয়ে ভালো ইতিবাচক দিকগুলো শুরু করে ধীরে ধীরে নেতিবাচক দিকে যাওয়া। বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা যে আপনার রয়েছে এবং তা আপনি খুব ভালো মতোই পারেন, তাই বোঝাতে হবে জবাবে।

বিসিএস সহ সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ও সফল ব্যাক্তিদের বিভিন্ন পরামর্শ পেতে এখনই Join করুন আমাদের Official ফেসবুক Group “বিসিএস বুলেটিন” এ।

৮. একজন উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে চিন্তা করেছিলেন?
এর মাধ্যমে তারা বুঝতে চাইবেন, নিজের একটি ব্যবসা সৃষ্টির গোপন ইচ্ছা আপনার রয়েছে কিনা। কারণ এমন মানুষকে তারা চাকরি দিতে চান না।
প্রত্যেক মানুষই তার  কর্মজীবনের শুরুতে নিজের ব্যবসা স্থাপনের চেষ্টা করেন বা স্বপ্ন দেখেন অন্তত। তাই সরাসরি নাকচ করে দেওয়াটা উচিত হবে না। আবার কোনো এক সময় আপনার একটি ব্যবসা ছিলো বা ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে তা প্রকাশ করাটাও ঝুঁকিপূর্ণ।
একজন স্বাধীন ব্যবসায়ী হওয়ার ইচ্ছা ছিলো আপনার তা প্রকাশ করা সমস্যা নয়। আবার এ ধরনের ইচ্ছা থাকলেও তা নিয়ে আপনার কোনো পরিকল্পনা নেই- বিষয়টিকে এভাবেই উপস্থাপন করা ভালো। এর জবাবে কর্পোরেট দুনিয়ায় কাজ করে আপনি কতোটা আনন্দ পান তাই শুনতে চান কর্তৃপক্ষ।

৯. যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেলে আপনি কোথায় চাকরি করতেন?
এর মাধ্যমে তারা জানতে চাইবেন বিশেষ কোনো কাজে এবং প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে আপনি কেমন কর্মী। পাশাপাশি কাজের প্রতি আপনার দায়বদ্ধতাও প্রকাশ পাবে এতে।
এর জবাবে আপনি বেশি কথা বলতে গেলে এক সময় ধরা খেয়ে যাবেন। আপনার কথায় কিছু ভালো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বাজে মন্তব্য চলে আসতে পারে। তাই নিজের সামান্য কিছু ধ্যান-ধারণা উপস্থাপন করুন।

১০. আগামীকাল কোটি টাকা হাতে পেয়ে গেলে আপনি কী করবেন?
এর একটিই অর্থ, তারা জানতে চান টাকা পেলে আপনি কি কাজ করতে চান কিনা চান না। এর জবাবে একজন কর্মী হিসেবে আপনার মতাদর্শ এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা যায়।
এটা অনেকটা অ্যাম্বুশের মতো। যদি বড় বড় অনকে কিছু করার তালিকা তুলে ধরেন তাহলে এই চাকরিটি আপনার প্রয়োজন নেই যদি অর্থ পেয়ে যান। তাই সাধারণ কিছু জবাব দিয়ে চুপ করে থাকাই ভালো।
তারা বুঝতে চান যে, এই কাজ বিষয়ে আপনি আগ্রহী এবং ভবিষ্যতে অর্থশালী হলেও এই কাজের প্রতি আগ্রহ কাজ করবে আপনার।

১১. আপনার বস বা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দ্বারা কী কখনো সততা বিসর্জনের প্রস্তাব পেয়েছেন?
এর মাধ্যমে আপনার নৈতিকতার কম্পাসটি সম্পর্কে ধারণা চান সবাই। বিশেষ কোনো মুহূর্তে আপনার সততা কীভাবে ধরে রাখবেন তাও বুঝতে চাইবেন তারা। আপনার বিচক্ষণতার গভীরতাও দেখার চেষ্টা করা হবে।
স্পর্শকাতর বিষয়গুলো আপনি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন তার জবাব বেরিয়ে আসবে। সেইসঙ্গে সাবেক অসৎ কোনো কর্মীর কথাও জানান দিয়ে ফেলতে পারেন। তাই এ ক্ষেত্রে একজন কূটনীতিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।
এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের বাজে ইতিহাস না তুলে ধরে নিজের মতাদর্শকে স্পষ্ট করে তুলুন। এটাই দেখতে চাইবেন তারা। তা ছাড়া কোনো নাম বা প্রতিষ্ঠানকে উল্লেখ না করে এমন একটি ঘটনাকে গল্পের মতো করে আওড়ে যেতে পারেন।

১২. আপনার সঙ্গে কাজ না করতে চাওয়ার একটি কারণ বলতে পারেন?
এখানে ব্যক্তিত্বের একটি খারাপ দিক সম্পর্কে জানতে চাইবেন তারা। আর যদি মিথ্যা বলেন, তবে তা প্রমাণ হবে ভবিষ্যতে।
যদি সরাসরি বলেন যে এমন কোনো কারণ নেই, তবে প্রশ্নকর্তাকে অপমান করা হলো এমন প্রশ্ন করার জন্য। তাই নিজের সমস্যাকে সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে উত্থাপন করুন।
জবাব এমন হতে পারে, আসলে সব সময় যে আমার সঙ্গে কাজ করতে সবার ভালো লাগবে তা নয়। বিশেষ করে কাজের যখন সময় বেঁধে দেওয়া থাকে তখন….।

১৩. এত দিন কাজ থেকে দূরে ছিলেন কেন?
অনেক সময়ই নিজেকে নির্দোষ না প্রমাণ করা পর্যন্ত আপনাকে দোষী বলেই ধরা হবে। এই প্রশ্নের মাধ্যমে বুঝতে চাওয়া হবে, আপনি নিজের বিষয়ে যথেষ্ট দায়িত্বশীল কিনা।
পেশাজীবনে আপনার স্থিতিস্থাপকতা সম্পর্কে বলতে হবে এর জবাবে।
প্রতিষ্ঠান দেখতে চাইবে বেকার অবস্থাতেও আপনি কোনো না কোনো কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করবেন। অন্তত একটি চাকরি খুঁজতেই যে আপনি ব্যস্ত ছিলেন তা বোঝাতে হবে তাদের।

১৪. এই ইন্টারভিউয়ের জন্য কিভাবে সময় পেলেন?
যদি অন্য কোনো চাকরিতে বর্তামান থাকেন তবে তারা জানতে চাইবেন অফিসকে কী বলে আপনি এখানে এসেছেন। এ ক্ষেত্রে আপনার সততার উদাহরণ দেখতে চাইবেন তারা।
বর্তমান বসকে ফাঁকি দিয়ে এখানে এসেছেন বলাটাও ঝামেলা। আবার সরাসরি একটি মিথ্যা বলাটাও অস্বস্তিকর।
এ ক্ষেত্রে তারা দেখতে চাইবেন, আপনি বর্তমান চাকরিকে অবশ্যই আগে প্রাধান্য দিচ্ছেন। অথবা নিজের যোগ্যতার প্রদর্শনে আরো বড় ক্ষেত্র চাইছেন।

বিসিএস এর জন্য নিচের লেখাগুলোও পড়ে নিন।

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 কেমন হতে পারে ৩৮ তম বিসিএস প্রিলি: পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁদ ? লিখেছেন Satyajit Chakraborty | বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি

📌 শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিন।

📌 বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাব্য,পত্রকাব্য,কবিতা, নাটক এবং উপন্যাস রচনার পেছনের রহস্য | বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি

📌 বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখুন কৌশলে | যতি বা ছেদ চিহ্ন নিয়ে যত তথ্য | বাংলা ২য় পত্র টিপস

📌 সবচেয়ে বেশি বার বিসিএস অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আগত প্রশ্নগুলোর Pdf Download

সূত্রঃ-দেশেবিদেশে

নবম/দশম শ্রেণির,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই থেকে ৪০০+টি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

নবম/দশম শ্রেণির “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়” বইটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত সকল তথ্যের এক বিশাল ভান্ডার। এই বইটি ভাল করে আয়ত্ব করে নিলে সাধারণ জ্ঞানের যে কোন প্রশ্নে আপনি এগিয়ে থাকবেনই। পুরো বইটি থেকে বাছাই করা ৪০০ টির ও বেশি প্রশ্নের উত্তর এখানে দেওয়া হয়েছে। এই প্রশ্নগুলো থেকে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা সহ যেকোন প্রতিযোগিতামুলক পরীক্ষায় অনেক প্রশ্নই কমন পাবেন। কথা না বাড়িয়ে এখন মনযোগ সহকারে পড়ে নিন। আর পোস্টটি সব সময় পড়ার সুবিধার্থে শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন।

পুরো নোট টি নিচে দেওয়া লিংক থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন

✿➢১) সামরিক শাসন জারি করা হয় – ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
✿➢২) আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
✿➢৩) মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন – আইয়ুব খান
✿➢৪) আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয় – ১৯৬১ সালে
✿➢৫) ছাত্র সমাজ ১৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে – ১৯৬২ সালে
✿➢৬) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয় – ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
✿➢৭) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ চলে – ১৭ দিন
✿➢৮) বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ – ৬ দফা দাবি
✿➢৯) ৬ দফা দাবি উথাপন করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
✿➢১০) ৬ দফা দাবি উথাপন করা হয় – ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি
✿➢১১) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি ছিল – ৩৫ জন
✿➢১২) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয় – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
✿➢১৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি হয় – ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন
✿➢১৪) ঊনসত্তরের গণ অব্যুথান হয় – ১৯৬৯ সালে
✿➢১৫) গণ অভ্যুথানে শহীদ হন – আসাদ, ড. শামসুজ্জোহা
✿➢১৬) আগরতাল ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
✿➢১৭) শেখ মুজিবুর রহমানকে ” বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
✿➢১৮) আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন – ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ
✿➢১৯) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর
✿➢২০) নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল – ৫ কোটি ৬৪ লাখ
✿➢২১) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসন লাভ করে – ১৬৭ টি ( ১৬৯ এর মধ্যে)
✿➢২২) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর
✿➢২৩) প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ আসন পায় – ২৮৮ টি ( ৩০০ এর মধ্যে)
✿➢২৪) পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন – আগা খান
✿➢২৫) অধিবেশন স্থগিত করা হয় – ১৯৭১ সালের ১ মার্চ
✿➢২৬) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
✿➢২৭) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ২ মার্চ
✿➢২৮) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল – অসহযোগ আন্দোলন
✿➢২৯) জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করা হয় – ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
✿➢৩০) পূর্ববাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে
✿➢৩১) অপারেশন সার্চ লাইট চালানোর নীলনক্সা করা হয় – ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ
✿➢৩২) নীলনক্সা করেন – টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী
✿➢৩৩) অপারেশন সার্চ লাইট হলো – ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরহত্যাকান্ড
✿➢৩৪) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসযোগে
✿➢৩৫) বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে আনুমানিক রাত ১.৩০ মিনিটে
✿➢৩৬) শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন- ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর
✿➢৩৭) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ছিল – ইংরেজিতে।
✿➢৩৮) বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল – ভারতে
✿➢৩৯) বাংলাদেশে নদী পথের দৈর্ঘ্য – ৯৮৩৩ কিমি
✿➢৪০) সারাবছর নৌ চলাচলের উপযোগী নৌপথ – ৩,৮৬৫ কি.মি
✿➢৪১) অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি হয়েছে – ১৯৫৮ সালে
✿➢৪২) কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকর প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় – পাকিস্তান আমলে
✿➢৪৩) অভ্যন্তরীন নৌ পথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের – ৭৫% আনা নেয়া হয়
✿➢৪৪) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালে
✿➢৪৫) বাংলাদেশে চা চাষ হচ্ছে – উওর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে
✿➢৪৬) সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় – উষ্ণ ও আদ্র জরবায়ু অঞ্চলে
✿➢৪৭) বাংলাদেশে চির হরিৎ বনাঞ্চল – পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
✿➢৪৮) বাংলাদেশে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ জেলা সমূহ – পূবাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলা সমূহ
✿➢৪৯) বাংলাদেশের লবণাক্তের পরিমাণ বেশি – দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা
✿➢৫০) বাংলাদেশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বনভূমি- দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর পুর্ব অংশের পাহাড়ী অঞ্চল
✿➢৫১) চিরহরিৎ বনকে বলা হয় – চির সবুজ বন
✿➢৫২) চিরহরিৎ বনভূমির পরিমাণ – ১৪ হাজার বর্গ কি.মি
✿➢৫৩) প্রচুচুর বাঁশ ও বেত জন্মে – সিলেটে
✿➢৫৪) রাবার চাষ হয় – পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে
✿➢৫৫) ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায়
✿➢৫৬) শীতকালে গাছের পাতা সম্পূর্ণ ঝরে যায় – ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির
✿➢৫৭) ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির প্রধান বৃক্ষ – শাল
✿➢৫৮) মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে
✿➢৫৯) দিনাজপুরে এটি – বরেন্দ্র নামে পরিচিত
✿➢৬০) স্রোতজ বনভূমি- দক্ষিণ পশ্চিমাংশের নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় বন
✿➢৬১) স্রোতজ বনভূমি প্রধানত জন্মে – সুন্দরবনে
✿➢৬২) বাংলাদেশে স্রোতজ বা গরান বনভূমির পরিমাণ – ৪,১৯২ বর্গ কি.মি
✿➢৬৩) বাংলাদেশ সরকারে বিভাগ – ৩ টি
✿➢৬৪) আইনবিভাগের কাজ – আইন প্রনয়ন ও প্রচলিত আইনের সংশোধন
✿➢৬৫) আইন বিভাগের একটি অংশ – আইনসভা
✿➢৬৬) এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা – কক্সবাজার ২৭.৬৪ ডিগ্রী, নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রী, রাজশাহীতে ৩০ ডিগ্রী

[toggle title=”আমাদের ফেসবুক গ্রুপে Join করেছেন কি?” state=”open” ]বিসিএস সহ যেকোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সফল ব্যাক্তিদের বিভিন্ন পরামর্শ, গুরত্বপূর্ণ নোট ও শর্টকাট টিপস পেতে এখানে ক্লিক করে জয়েন করুন আমাদের Official ফেসবুক গ্রুপে। [/toggle]

✿➢৬৭) গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যায় – দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
✿➢৬৮) কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে – পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিক থেকে
✿➢৬৯) প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় হয় – ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল
✿➢৭০) বাংলাদেশে বর্ষাকাল – জুন হতে অক্টোবর মাস
✿➢৭১) প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – জুন মাসের শেষ দিকে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৭২) বর্ষাকালে আবহাওয়া সর্বদা – উষ্ণ থাকে
✿➢৭৩) বর্ষাকালে গড় উষ্ণতা – ২৭ ডিগ্রী সে.
✿➢৭৪) বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে – জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে
✿➢৭৫) বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের – ৪/৫ ভাগ হয় হয় বর্ষাকালে
✿➢৭৬) বর্ষাকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত হয় – ৩৪০ ও ১১৯ সে.মি
✿➢৭৭) বর্ষাকালে ক্রমে বৃষ্টিপাত বেশি হয় – পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
✿➢৭৮) বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলার বৃষ্টিপাতের পরিমান –পাবনায় প্রায় ১১৪, ঢাকায় ১২০, কুমিল্লায় ১৪০, শ্রীমঙ্গলে ১৮০ এবং রাঙ্গামাটিতে ১৯০ সে.মি
✿➢৭৯) বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৮০) বর্ষাকালে পর্বতের পাদদেশে এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের কোথাও বৃষ্টিপাত – ২০০ সে.মি কম হয়
✿➢৮১) বর্ষাকালে বিভিন্ন অঞ্চলের বৃষ্টিপাত – সিলেটের পাহাড়ী অঞ্চলে ৩৪০ সেমি, পটুয়াখালীতে ২০০ সেমি, চটগ্রামে ২৫০ সেমি, রাঙ্গামাটিতে ২৮০ সেমি এবং কক্সবাজারে ৩২০ সেমি।
✿➢৮২) জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা প্রতি বছর গড়ে বৃদ্ধি – ৪ মিমি থেকে ৬ মিমি ( হিরন পয়েন্ট, চর চংগা, কক্সবাজার)
✿➢৮৩) গত ৪ হাজার বছরে ভূমিকম্পে পৃথিবীতে মানুষ মারা যায় – প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
✿➢৮৪) ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থান – ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানায়
✿➢৮৫) বাংলাদেশে ভূমিকম্পের মানবসৃষ্ট কারন – পাহাড় কাটা
✿➢৮৬) ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রের পানি উপকূলে উঠে – ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে
✿➢৮৭) ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয় – সুনামি
✿➢৮৮) ইন্দোনেশিয়ায় মারাত্নক সুনামি আঘাত হানে – ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর
✿➢৮৯) বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে – টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারনে
✿➢৯০) বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করেছিলেন – ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
✿➢৯১) তিনি বলয় দেখিয়েছেন – ৩ টি
✿➢৯২) বলয়গুলোকে ভাগ করেছেন – প্রলয়ংকারী, বিপজ্জনক, লঘু
✿➢৯৩) এই বলয় সমূহকে বলা হয় – সিসমিক রিস্ক জোন
✿➢৯৪) বরেন্দ্রভূমি – নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুরের অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত
✿➢৯৫) বরেন্দ্রভূমির আয়তন – ৯৩২০ বর্গ কি.মি
✿➢৯৬) প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬ থেকে ১২ মিটার
✿➢৯৭) বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি – ধূসর ও লাল বর্ণের
✿➢৯৮) মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানের আয়তন – ৪,১০৩ বর্গ কি.মি
✿➢৯৯) সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬থেকে ৩০ মিটার
✿➢১০০) মধুপুর ও ভাওয়ালের মাটি – লালচে ও ধূসর

💊১০১) লালমাই পাহাড় – কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি.মি পশ্চিমে
💊১০২) লালমাই পাহাড়ের আয়তন – ৩৪ বর্গ কি.মি
💊১০৩) এই পাহাড়ের উচ্চতা–২১ মিটার
💊১০৪) লালমাই পাহাড়ের মাটি- লালচে, এবং নুড়ি, বালি ও কংকর মিশ্রিত
💊১০৫) বাংলাদেশের নদী বিধৌত বিস্তীর্ণ সমভূমি – প্রায় ৮০%
💊১০৬) প্লাবন সমভূমির আয়তন – ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি
💊১০৭) প্লাবন সমভূমি – দেশের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ
💊১০৮) উপকূলীয় সমভূমি – নোয়াখালী, ফেনীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত
💊১০৯) স্রোতজ সমভূমি – খুলনা পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কিয়দংশ
💊১১০) জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান – ৯ম
💊১১১) ২০০১ সালে জনসংখ্যা ছিল – ১২.৯৩ কোটি
👉(২০১৭সালে১৬৩,১৮৭,০০০ জন প্রায়)
💊১১২) জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল – ১.৪৮%
💊১১৩) বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.৩৭ %
💊১১৪) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী জনসংখ্যা – ১৪.৯৭ কোটি (১৪,৯৭,৭২,৩,৬৪জন)
💊১১৫) প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে – ১১০৬ জন
💊১১৬) জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম – পার্বত্য অঞ্চল ও সুন্দরবনে
💊১১৭) শীত গ্রীষ্মের তারতম্য বেশী – দেশের উত্তরাঞ্চলে
💊১১৮) বর্তমানে মাথাপিছু জমির পরিমান – ০.২৫ একর
💊১১৯) বাংলাদেশের জলবায়ু – ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
💊১২০) বাংলাদেশে শীতকাল- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
💊১২১) শীতকালে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ২৯ ডিগ্রী ও ১১ ডিগ্রী সে.
💊১২২) বাংলাদেশের শীতলতম মাস- জানুয়ারি
💊১২৩) জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা – ১৭.৭ ডিগ্রী সে.
💊১২৪) জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা – দিনাজপুরে ১৬.৬
💊১২৫) বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল – মার্চ থেকে মে মাস
💊১২৬) গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ৩৮ এবং ২১ ডিগ্রী সে.
💊১২৭) উষ্ণতম মাস – এপ্রিল মাস
💊১২৮) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব দেন – ১৯৩৭ সালে
💊১২৯) ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় – ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট
💊১৩০) মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
💊১৩১) চৌধুরী খালেকুজ্জামান পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার দাবি করেন – ১৯৪৭ সালের ১৭ মে
💊১৩২) চৌধুরী খালেকুজ্জামান এর প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – ড.
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. এনামুল হক
💊১৩৩) ‘ গণ আজাদী লীগ’ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালে কারুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে
💊১৩৪) গণ আজাদী লীগের দাবি ছিল – মাতৃভাষায় শিক্ষা দান
💊১৩৫) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
💊১৩৬) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে
💊১৩৭) ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে – তমদ্দুন মজলিশ
💊১৩৮) উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় – ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
💊১৩৯) বাংলাকে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান – ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ( ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি)
💊১৪০) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
💊১৪১) বাংলা ভাষা দাবি দিবস পালনের ঘোষণা দেয় যে তারিখকে – ১৯৪৮ সালে ১১ মার্চকে
💊১৪২) পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ ( বর্তমান ছাত্র লীগ) গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি
💊১৪৩) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – ১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ
💊১৪৪) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – মুখ্য মন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে
💊১৪৫) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার করার কথা ঘোষণা দেন – ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ
💊১৪৬) খাজা নাজিমুদ্দিন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে
💊১৪৭) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নতুন ভাবে গঠিত হয় – ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ( আবদুল মতিন আহবায়ক)
💊১৪৮) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
💊১৪৯) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি – সকাল ১১ টায় সভা অনুষ্ঠিত হয়
💊১৫০) ২১ ফেব্রুয়ারির সভা অনুষ্ঠিত হয় – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায়

[tabs type=”horizontal”][tabs_head][tab_title]ফেসবুকে আমাদের সাথে যুক্ত হোন[/tab_title][/tabs_head][tab]এরকম আরো গুরত্বপূর্ন সব পোস্ট সাথে সাথে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে LIke দিয়ে রাখুন। [/tab][/tabs]
💊১৫১) সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ১০ জন করে মিছিল করবে
💊১৫২) শহীদ শফিউর মৃত্যুবরণ করেন – ১৯৫২ সালের ২২ফেব্রুয়ারি
💊১৫৩) প্রথম শহীদ মিনার নির্মান করা হয় – ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে
💊১৫৪) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন – ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
💊১৫৫) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন – ভাষা শহীদ শফিউরের পিতা
💊১৫৬) একুশে ফ্রব্রুয়ারির উপর প্রথম কবিতা লেখেন – চট্টগ্রামের কবি মাহবুব উল আলম
💊১৫৭) ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম – কাঁদতে
আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
💊১৫৮) আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেন – স্মৃতির মিনার কবিতাটি
💊১৫৯) ভাষা আন্দোলনের গান – আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি ( আব্দুল গাফফার চৌধুরী)
💊১৬০) আব্দুল লতিফ রচনা করেন – ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
💊১৬১) মুনীর চৌধুরী ঢাকা জেলে বসে রচনা করেন – কবর নাটক
💊১৬২) জহির রায়হান রচনা করেন – আরেক ফাল্গুন উপন্যাস
💊১৬৩) বাংলাকে পাকিস্তানের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে – ১৯৫৬ সালে
💊১৬৪) বাঙ্গালীর পরিবর্তী সব আন্দোলনের প্ররণা দিয়েছিল – ১৯৫২ সালের
ভাষা আন্দোলন
💊১৬৫) শহীদ দিবস পালন শুরু হয় – ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে
💊১৬৬) শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – UNESCO
💊১৬৭) ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
💊১৬৮) পৃথিবীতে ভাষা রয়েছে – ৬০০০ এর বেশি
💊১৬৯) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় – ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন
💊১৭০) গঠনের স্থান – ঢাকার রোজ গার্ডেন
💊১৭১) সভাপতি ছিলেন – মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
💊১৭২) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন – শামসুল হক ( টাঙ্গাইল)
💊১৭৩) যুগ্ন সম্পাদক ছিলেন – শেখ মুজিবুর রহমান
💊১৭৪) ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ ছিল – আওয়ামী লীগের
💊১৭৫) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নামকরন করা হয় – ১৯৫৫ সালে
💊১৭৬) যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত হয় – ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর
💊১৭৭) যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় – ৪ টি দল নিয়ে
💊১৭৮) যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল – ২১ টা
💊১৭৯) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৫৪ সালের মার্চে
💊১৮০) পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের আসনছিল – ২৩৭ টি
💊১৮১) যুক্তফ্রন্ট আসন লাভ করে – ২২৩ টি
💊১৮২) ২১ দফার প্রথম দফা ছিল – বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
💊১৮৩) যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন – এ.কে ফজলুল হক ( ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল)
💊১৮৪) যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল – ৫৬ দিন
💊১৮৫) যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে – ১৯৫৪ সালের ৩০ মে
💊১৮৬) বরখাস্ত করেন – গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
💊১৮৭) বরখাস্তের ইস্যু ছিল – আদমজি ও কর্ণফুলি কাগজ কলে বাঙ্গালিঅবাঙ্গালি দাঙ্গা।
💊১৮৮) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় – ইপিআর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে
💊১৮৯) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম থেকে প্রচার করেন – ২৬ মার্চ দুপুর ও সন্ধ্যায় এম, এ, হান্নান
💊১৯০) মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন – ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে
💊১৯১) বাঙ্গালী পাকিস্তানের শাসনের অধীনে ছিল- ২৪ বছর
💊১৯২) মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত – বৈদ্যনাথ তলাএবং আম্রকানন
💊১৯৩) বৈদ্যনাথ তলার বর্তমান নাম – মুজিবনগর
💊১৯৪) মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
💊১৯৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
💊১৯৬) মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
💊১৯৭) মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
💊১৯৮) উপরাষ্ট্রপতি – সৈয়দ নজরুল ইসলাম
💊১৯৯) প্রধান মন্ত্রী – তাজ উদ্দীন আহমেদ
💊২০০) অর্থমন্ত্রী – এম. মনসুর আহমদ
❍☞২০১)মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
❍☞ ২০২) মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
❍☞২০৩) মুজিব নগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান – অধ্যাপক ইউসুফ আলী
❍☞২০৪) মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন – কর্ণেল ( অব.) এম.এ. জি ওসমানী
❍☞২০৫) মুজিব নগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল – মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে জনমত সৃষ্টি করা
❍☞২০৬) মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রনালয় ছির – ১২ টি
❍☞২০৭) মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত ছিলেন – বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
❍☞২০৮) বাংলাদেশে কয়টি সামরিক জোনে ভাগ করা হয় – ৪ টি ( ১৯৭১ সাল ১০ এপ্রিল)
❍☞২০৯) ৪ সামরিক জোনে ছিলেন – ৪ জন সেক্টর কমান্ডার
❍☞২১০) ১১ এপ্রিল পুনঃরায় ভাগ করা হয় – ১১ টি সেক্টরে
❍☞২১১) মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স ছিল – ৩ টি
❍☞২১২) কাদেরীয়া বাহিনী ছিল – টাঙ্গাইলের
❍☞২১৩) ইপিআর – ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেল
❍☞২১৪) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা যায় – গণযুদ্ধ বা জনযুদ্ধ
❍☞২১৫) ভারতে শরার্থী ছিল – ১ কোটি
❍☞২১৬) বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরা হয় – ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর
❍☞২১৭) ১১ দফা আন্দোলন হয়েছিল – ১৯৬৮ সালে
❍☞২১৮) ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চলছিল – বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন
❍☞২১৯) মুজিবনগর সরকারের অধীনে ” পরিকল্পনা সেল ” গঠন করে – পেশাজীবীরা
❍☞২২০) মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারান – প্রায় তিন লক্ষ নারী
❍☞২২১) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন – চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিনকর্মীরা
❍☞২২২) ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় – ৬ ডিসেম্বর১৯৭১
❍☞২২৩) মুক্তি বাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে গঠিত হয় – যৌথ কমাণ্ড
❍☞২২৪) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বহির্বিশ্বে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র ছিল – লন্ডন
❍☞২২৫) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর শিল্পী ছিলেন – জর্জ হ্যারিসন
❍☞২২৬) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয় – যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্ক শহরে ( ৪০০০০ লোক ছিল)
❍☞২২৭) স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ক্ষমতা গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর
❍☞২২৮) বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসেন – ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
❍☞২২৯) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
❍☞২৩০) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
❍☞২৩১) গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
❍☞২৩২) সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির সদস ছিলেন – ৩৪ জন
❍☞২৩৩) সংবিধান কমিটি খসড়া সংবিধান পেশ করেন – ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
❍☞২৩৪) সংবিধান গণ পরিষদে গৃহীত হয় – ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
❍☞২৩৫) বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় – ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে
❍☞২৩৬) সংবিধানের মূলনীতি – ৪ টি
❍☞২৩৭) বাংলাদেশ গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
❍☞২৩৮) বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন – ড. কুদরত এ খুদা কমিশন
❍☞২৩৯) বাংলাদেশের প্রথম সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ
❍☞২৪০) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ছিল – সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
❍☞২৪১) প্রথম দিকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে – ১৪০ টি দেশ
❍☞২৪২) চট্টগ্রাম বন্দরের মাইনমুক্ত করার বিষয়ে সহযোগিতা করে – সোভিয়েত ইউনিয়ন
❍☞২৪৩) ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ ছাড়ে – ১৯৭২ সালের মার্চে
❍☞২৪৪) বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয় – ১৯৭২ সালে
❍☞২৪৫) জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
❍☞২৪৬) জাতি সংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
❍☞২৪৭) বঙ্গবন্ধু পুরষ্কার পান – জুলিও কুরি শান্তি পদক
❍☞২৪৮) জুলিও কুরি পদক দেয় – বিশ্বশান্তি পরিষদ
❍☞২৪৯) সংবিধান কমিটির প্রধান ছিলেন – ড. কামাল হোসেন
❍☞২৫০) সংবিধান প্রণয়ণ কমিটিতে মহিলা সদস্য ছিলেন – ১ জন

[toggle title=”আমাদের ফেসবুক গ্রুপে Join করেছেন কি?” state=”open” ]বিসিএস সহ যেকোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সফল ব্যাক্তিদের বিভিন্ন পরামর্শ, গুরত্বপূর্ণ নোট ও শর্টকাট টিপস পেতে এখানে ক্লিক করে জয়েন করুন আমাদের Official ফেসবুক গ্রুপে। [/toggle]

👉২৫১) বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ণে সময় লাগে – ১০ মাস
👉২৫২) বাংলাদেশ সংবিধান – লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়
👉২৫৩) সংবিধানে ন্যায়পাল সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে – ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
👉২৫৪) বীরঙ্গনাদের সরকার ” নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয় – ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি
👉২৫৫) সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতি – এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি
👉২৫৬) সুপ্রীম কোর্ট বাতিল করে সংবিধানের – ৫ম, ৭ম ও ১৩ দশ সংশোধনী
👉২৫৭) জাতীয় শোক দিবস – ১৫ আগষ্ট
👉২৫৮) বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট
👉২৫৯) জাতীয় ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয় – ১৯৭৫ সালে ২২ আগষ্ট
👉২৬০) রাজনৈতিক দল ও কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩১ আগষ্ট
👉২৬১) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
👉২৬২) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় – ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
👉২৬৩) খালেদ মোশাররফ এর নেতৃত্বে সেনা অভ্যুথান হয় -১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
👉২৬৪) জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
👉২৬৫) বাংলাদেশে সেনা শাসন আমল – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত
👉২৬৬) গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় – ১৯৯১ সালে
👉২৬৭) জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন – ২ নং সেক্টরের
👉২৬৮) জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হন – ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল
👉২৬৯) রাষ্টপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৮ সালের ৩ জুন
👉২৭০) বাংলাদেশের ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি
👉২৭১) সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ বলে সুপ্রীম কোর্ট রায় দেন – ২০০৮ সালে
👉২৭২) সার্ক গঠনের উদ্যেগক্তা – জিয়াউর রহমান
👉২৭৩) রাষ্টপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন – ১৯৮১ সালের ৩১ মে
👉২৭৪) জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন ছিল – সাড়ে ৫ বছর
👉২৭৫) জেনারেল এরশাদ রাষ্টপতি হন – ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর
👉২৭৬) রাষ্টপতি এরশাদ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
👉২৭৭) সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ হয় – ১৯৮৩ সালে
👉২৭৮) গণ আন্দোলন হয় – ১৯৯০ সালে
👉২৭৯) জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন – ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
👉২৮০) এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
👉২৮১) ঘরোয়া রাজনীতির অনুমতি দেয়া হয় – ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল
👉২৮২) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৩ সালে
👉২৮৩) পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৪ সালে
👉২৮৪) এরশাদ গণভোটের আয়োজন করেন – ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ
👉২৮৫) উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন – এরশাদ
👉২৮৬) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৫ সালের ১৬ ও ২১ মে
👉২৮৭) বাংলাদেশের ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ১৯৮৬ সালের ৭ মে
👉২৮৮) ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয় – ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ
👉২৮৯) জেনারেল এরশাদের শাসন আমল – ৯ বছর
👉২৯০) প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
👉২৯১) নুর হোসেন শহীদ হন – স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলন ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর
👉২৯২) এরশাদ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন – ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর
👉২৯৩) সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করা হয় – ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর ( ২২ টি ছাত্র সংগঠন)
👉২৯৪) ডা. সামসুল আলম মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান – ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর
👉২৯৫) ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
👉২৯৬) তত্ববধায়ক সরকারে বিল সংসদে পাশ হয় – ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ
👉২৯৭) তত্তবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন – বিচারপতি হাবিবুর রহমান
👉২৯৮) তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১২ জুন ১৯৯৬ সালে ( ৭ম জাতীয় নির্বাচন)
👉২৯৯) ৮মম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ২০০১ সালের ১ অক্টোবর
👉৩০০) বাংলাদেশে ১/ ১১ এর সময় কাল – ২০০৭ সাল
❑➫৩০১) ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর
❑➫৩০২) ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল – ৭০%
❑➫৩০৩) ৪০ বছরে দারিদ্যের হার কমেছে – ৩০%
❑➫৩০৪) ৪ দশকে শিশু মৃত্যু হার কমেছে -প্রতি হাজারে ১৮৫ থেকে ৪৮
❑➫৩০৫) বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি প্রনীত হয় – ২০১০ সালে
❑➫৩০৬) পারিবারিক সংহিংসতা ও সুরক্ষা আইন – ২০১০ সালে প্রণীত হয়
❑➫৩০৭) জাতীয় খাদ্য নীতি – ২০০৬ সালে
❑➫৩০৮) জাতীয় শিশু নীতি প্রণীত হয় – ২০১১ সালে
❑➫৩০৯) জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী শিশু বলে বিবেচিত হবে -১৮ বছরের কম বয়সী সব ব্যক্তি
❑➫৩১০) বাংলাদেশ পলল গঠিত – আদ্র অঞ্চল
❑➫৩১১) বাংলাদেশের পাহাড়ী অঞ্চল – উত্তর পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বে
❑➫৩১২) উঁচু ভুমির অবস্থান – উত্তর পশ্চিমাংশে
❑➫৩১৩) বাংলাদেশের ভূ প্রকৃতি – নিচু ও সমতল
❑➫৩১৪) দক্ষিণ এশিয়ার বড় নদী – ৩ টি( গঙ্গা, ব্রক্ষপুত্র, মেঘনা)
❑➫৩১৫) বাংলাদেশের অবস্থান – এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে
❑➫৩১৬) বাংলাদেশের অবস্থান – ২০.৩৪“ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬.৩৮” উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে
❑➫৩১৭) দ্রাঘিমা রেখা – ৮৮.০১” থেকে ৯২.৪১” পূর্ব দ্রাঘিমা
❑➫৩১৮) বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে অতিক্রম করেছে – কর্কটক্রান্তি রেখা ( ২৩.৫”)
❑➫৩১৯) বাংলাদেশের উত্তরে – পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম
❑➫৩২০) পূর্বে – আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম,মায়ানমার
❑➫৩২১) দক্ষিণে – বঙ্গোপসাগর
❑➫৩২২) মোট আয়তন – ১,৪৭,৬১০ কি.মি.।
❑➫৩২৩) পৃথিবীর বৃহত্তম ব দ্বীপ – বাংলাদেশ
❑➫৩২৪) বাংলাদেশের ভু খন্ড – উত্তর থেকে দক্ষিণে ঢালু
❑➫৩২৫) বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল – এক বিস্তীর্ন সমভূমি
❑➫৩২৬) ভূ প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ভাগ করা হয় – ৩ টি শ্রেণীতে
❑➫৩২৭) টারশিয়ারে যুগের পাহাড়সমূহ – মোট ভূমির প্রায় ১২%
❑➫৩২৮) হিমালয় পর্বত উথিত হয় – টারশিয়ারি যুগে
❑➫৩২৯) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ – রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের পূর্বাংশ
❑➫৩৩০) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর উচ্চতা – ৬১০ মিটার
❑➫৩৩১) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – তাজিনডং ( বিজয়)
❑➫৩৩২) বিজয়ের উচ্চতা – ১২৩১ মিটার
❑➫৩৩৩) বিজয় – বান্দরবানে অবস্থিত
❑➫৩৩৪) বাংলাদেশের ২য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – কিওক্রাডং( ১২৩০ মি)
❑➫৩৩৫) আরো দুটি পাহাড় – মোদকমুয়াল ( ১০০০মি.), পিরামিড( ৯১৫মি)
❑➫৩৩৬) এই পাহাড় গুলো গঠিত – বেলে পাথর, কর্দম, শেল পাথর দ্বারা
❑➫৩৩৭) উত্তর উত্তরপূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ – ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার উত্তরাংশ, সিলেটের উত্তর উত্তর পূর্বাংশ, মৌলভী বাজার, হবিগঞ্জের দক্ষিনের পাহাড়
❑➫৩৩৮) পাহাড় গুলোর উচ্চতা – ২৪৪ মিটার
❑➫৩৩৯) উত্তরের পাহাড়গুলো – টিলা নামে পরিচিত
❑➫৩৪০) টিলার উচ্চতা – ৩০ থেকে ৯০ মিটার
❑➫৩৪১) এ অঞ্চলের পাহাড় সমূহ – চিকনাগুল, খাসিয়া, জয়ন্তিয়া
❑➫৩৪২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপান – দেশের মোট ভূমির ৮% নিয়ে গঠিত
❑➫৩৪৩) প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয় – আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে
❑➫৩৪৪) প্লাইস্টোসিন কালের সোপিনসমূহ – ৩ ভাগে বিভক্ত
❑➫৩৪৫) বাংলাদেশে ছোট বড় নদী রয়েছে -৭০০ টি
❑➫৩৪৬) নদীর গুলোর আয়তন দৈর্ঘ্যে – ২২,১৫৫ কি.মি
❑➫৩৪৭) পদ্মা নদী ভারতে পরিচিত – গঙ্গা নামে
❑➫৩৪৮) পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল – হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে
❑➫৩৪৯) গঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে – রাজশাহী জেলা দিয়ে
❑➫৩৫০) পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয় – গোয়ালন্দে
■➢৩৫১) ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারা – যমুনা নদী
■➢৩৫২) পদ্মা নদী মেঘনার নাথে মিলিত হয় – চাঁদপুরে
■➢৩৫৩) গঙ্গা পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমান – ৩৪, ১৮৮ বর্গ কি.মি
■➢৩৫৪) পদ্মার শাখা নদী সমূহ – ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ
■➢৩৫৫) ব্রক্ষপুত্রের উৎপত্তি – তিব্বতের মানস সরোবর
■➢৩৫৬) বক্ষপুত্র নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে – কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে
■➢৩৫৭) ১৭৮৭ সালের আগে ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারাটি প্রবাহিত হতো – ময়মনসিংহের মধ্যে দিয়ে উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ পূর্বে
■➢৩৫৮) ব্রক্ষপুত্র নদের গতি পরিবর্তিত হয় – ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে
■➢৩৫৯) যমুনা নদীর শাখা নদী – ধলেশ্বরী
■➢৩৬০) ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী – বুড়িগঙ্গা
■➢৩৬১) যমুনা নদীর উপনদী সমূহ – ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই
■➢৩৬২) গঙ্গার সঙ্গমস্থল পর্যন্ত ব্রক্ষপুত্রের দৈর্ঘ্য – ২৮৯৭ কি.মি এবং আয়তন – ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি এবং এর ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি বাংলাদেশের
■➢৩৬৩) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলনে উৎপত্তি – মেঘনা নদী
■➢৩৬৪) সুরমা ও কুশিয়ার উৎপত্তি- আসামের বরাক নদী নাগা- মণিপুর অঞ্চলে
■➢৩৬৫) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে – সিলেট জেলা দিয়ে
■➢৩৬৬) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলিত হয় – সুনামগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে এবং কালনী নামে দক্ষিণ পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারন করে
■➢৩৬৭) মেঘনা পুত্রের সাথে মিলিত হয় – ভৈরব বাজারের কাছে
■➢৩৬৮) বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ও শীতলক্ষ্যা মেঘনার সাথে মিলিত হয় – মুন্সিগঞ্জে
■➢৩৬৯) মেঘনার শাখা নদী – মুন, তিতাস, গোমতী, বাউলাই।
■➢৩৭০) বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী – কর্ণফুলী
■➢৩৭১) কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তি – লুসাই পাহাড়ে
■➢৩৭২) কর্ণফুলির দৈর্ঘ্য – ৩২০ কি.মি
■➢৩৭৩) কর্ণফুলির প্রধান উপনদী – কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং, রাঙখিয়াং
■➢৩৭৪) বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর – চট্টগ্রাম কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত
■➢৩৭৫) তিস্তা নদীর উৎপত্তি – সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
■➢৩৭৬) তিস্তা নদী – ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং হয়ে ডিমলা অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে
■➢৩৭৭) তিস্তা নদীরর গতিপথ পরিবর্তিত হয় – ১৯৮৭ সালের বন্যায়
■➢৩৭৮) তিস্তা নদী মিলিত হয় – ব্রক্ষপুত্রের সাথে
■➢৩৭৯) তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ – ১৭৭ কি.মি ও ৩০০ থেকে ৫৫০ মি.
■➢৩৮০) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান উৎস – তিস্তা নদী
■➢৩৮১) তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি নির্মিত হয় – ১৯৯৭-৯৮ সালে
■➢৩৮২) মংলা বন্দরের দক্ষিণে – পশুর নদী
■➢৩৮৩) পশুর নদীর দৈর্ঘ্য প্রস্থ – প্রায় ১৪২ কি.মি ও ৪৬০ মি. থেকে ২.৫ কি.মি
■➢৩৮৪) সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি – আরাকান পাহাড়ে
■➢৩৮৫) সাঙ্গু নদী প্রবেশ করেছে – পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে
■➢৩৮৬) সাঙ্গু নদীর দৈর্ঘ্য – ২০৮ কি.মি?

✿➢৩৮৭) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন – সংবিধান।
✿➢৩৮৮) সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ – ১৫৩ টি
✿➢৩৮৯) সংবিধানের মোট প্রস্তাবনা – ১টি।
✿➢৩৯০) সংবিধানের মোট ভাগ – ১১টি।
✿➢৩৯১) মোট তফসিল – ৭ টি।
✿➢৩৯২) সংবিধান মোট সংশোধন করা হয়- ১৬ বার।
✿➢৩৯৩) সংবিধানের সাব অনুচ্ছেদ – ১৫ টি।
✿➢৩৯৪) সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য – বেগম রাজিয়া বানু।
✿➢৩৯৫) সর্বপ্রথম গণপরিষদে উত্থাপিত হয়- ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
✿➢৩৯৬) বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় – ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
✿➢৩৯৭) সংবিধান কার্যকর করা হয়- ডিসেম্বর ১৬,১৯৭২।
✿➢৩৯৮ সংবিধান দিবস – ৪ঠা নভেম্বর, ১৯৭২.
✿➢৩৯৯) বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার – শাহ আব্দুল হামিদ।
✿➢৪০০) বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি – ৪টি।
✿➢৪০১) সংবিধানের যে ভাগে মৌলিক অধিকারের কথা বলা আছে- ৩য় ভাগে।
✿➢৪০২) সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান বলা আছে- ২৭ নং অনুচ্ছেদে।
✿➢৪০৩) সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী- রাষ্ট্রপতি।
✿➢৪০৪) কোনো ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হতে হলে তার বয়স হতে হবে – ৩৫ বছর।
✿➢৪০৫) সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স – ২৫ বছর।
✿➢৪০৬) সংবিধান অনুসারে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন – জাতীয় সংসদ।
✿➢৪০৭) বাংলাদেশে এটর্নি জেনারেল আছে – ১জন।
✿➢৪০৮) বাংলাদেশে বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য সংখ্যা – ৩৫০ জন।
✿➢৪০৯) বাংলাদেশে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন-৫০টি।
✿➢৪১০) জাতীয় সংসদে কোরাম হয় – ৬০ জনের উপস্থিতিতে।
✿➢৪১১) জাতীয় সংসদের সভাপতি – স্পিকার।

উপরের নোট টি PDF ডাউনলোড করতে

এখানে ক্লিক করুন

বিসিএস এর জন্য নিচের পোস্টগুলোও পড়ে নিনঃ

📌 বাংলা, সাধারণ জ্ঞান এবং গণিতের সকল শর্টকাট টেকনিক এর PDF ডাউনলোড করুন

📌 ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ এর PDF ডাউনলোড করুন | English Literature Note

📌 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 কেমন হতে পারে ৩৮ তম বিসিএস প্রিলি: পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁদ ? লিখেছেন Satyajit Chakraborty | বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি

📌 শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিন।

📌 বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাব্য,পত্রকাব্য,কবিতা, নাটক এবং উপন্যাস রচনার পেছনের রহস্য | বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি

📌 বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখুন কৌশলে | যতি বা ছেদ চিহ্ন নিয়ে যত তথ্য | বাংলা ২য় পত্র টিপস

📌 সবচেয়ে বেশি বার বিসিএস অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আগত প্রশ্নগুলোর Pdf Download

[tabs type=”horizontal”][tabs_head][tab_title]ফেসবুকে আমাদের সাথে যুক্ত হোন[/tab_title][/tabs_head][tab]এরকম আরো গুরত্বপূর্ন সব পোস্ট সাথে সাথে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে LIke দিয়ে রাখুন। [/tab][/tabs]

শেষ মূহুর্তে বিসিএস প্রিলি: প্রস্তুতি | কি কি বাদ দিয়ে পড়বেন এবং কি কি অবশ্যই পড়বেন | বিসিএস প্রস্তুতি

ধরে নিচ্ছি আপনি বিসিএস জগতে একেবারেই নতুন। এইবারেই প্রথম প্রিলি দিচ্ছেন। এবং এটাও ধরে নিচ্ছি আপনি তেমন কিছুই এখনও পড়েন নি। হাতে সময় বেশি দিন নেই, কি করবেন? আজ আপনার জন্যই লিখছি!

বিসিএস এমন একটি পরীক্ষা, যেখানে সবার জন্যই কিছু কিছু সাবজেক্ট সহজ আবার কিছু কিছু সাবজেক্ট মহা সমুদ্রের মতো! তাই, আমাদের জন্য যেগুলা সহজ সেগুলা ভালো করে বেশি বেশি পড়তে হবে, আর যেগুলা কঠিন সেগুলা থেকে বেছে বেছে যতদূর পারা যায় প্রস্তুতি নিতে হবে!

যেহেতু সময় বেশি নেই এবং ধরে নিচ্ছি আপনি তেমন কিছু পড়েন নি, তাই পুরো সিলেবাস এখন পড়তে পারবেন না, সময় পাবেন না। আমি আজ আলোচনা করবো, কি কি বাদ দিয়ে পড়বো এবং কি কি পড়বো—কোথা হতে পড়বো!

যেগুলো একেবারেই বাদ দিবো

নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন
এই টপিক একেবারেই বাদ দিবো এবং প্রিলিতে দাগাবো না। এই ১০ মার্ক ফাঁদ, যত দাগাবেন তত ফাঁদে পড়বেন।

গনিত
পাটিগনিত অংশ, ৩ নম্বরের জন্য এতো এতো জিনিস পড়ার কোন মানেই হয় না! ভাগ্য ভালো থাকলে ২/১ টা এমনি পারা হয়ে যাবে!

ইংরেজি
Synonyms and Antonyms, আগে যদি পড়া না থাকে এখন নতুন করে পড়ে লাভ নাই, মাথাই নষ্ট হবে শুধু শুধু কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না। ৩-৪ মার্কস আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিতে হবে, ভাগ্য ভালো থাকলে ১/২ টা পেরে যেতে পারি, নাইলে কি আর করা!

এরকম আরো গুরত্বপূর্ন সব পোস্ট সাথে সাথে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে Like দিয়ে রাখুন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি
ইতিহাসের ক্ষেত্রে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৫ ছাড়া বাকি সব প্রাচীন কালের ইতিহাস বাদ দিতে হবে। হাজার বছরের ইতিহাস পড়ে ১/২ মার্কস পাওয়ার থেকে না পাওয়াই ভালো!

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
ইতিহাস পার্ট এ গুরুত্ব পূর্ণ যুদ্ধ, চুক্তি গুলো ছাড়া বাকি ইতিহাস বাদ দিতে হবে!

সাম্প্রতিক ইস্যু
জুন, জুলাই, আগস্ট এই তিন মাসের কারেন্ট এফেয়ারস ছাড়া অন্য দিকে নজর দেয়া বন্ধ করতে হবে!

কি কি পড়বো? কই থেকে পড়বো?

জব সলিউশন
‘বিসিএস বাইবেল’ বলা যেতে পারে এই বই খানাকে। কিন্তু এতো বড় বই এখন পড়া সম্ভব না। কিন্তু একেবারেই না পড়লে হবেও না। বিসিএস ১০-৩৬, এই ২৬ সেট প্রশ্ন এবং পিএসসি নন-ক্যাডার ১০৮ সেট প্রশ্ন; মোট ১৩৪ সেট প্রশ্ন থেকে আমরা নিচের বিষয় গুলো চোখ বন্ধ করে পড়বো-

আন্তর্জাতিক, ইংরেজি গ্রামার ও সাহিত্য, বিজ্ঞান
এই তিন টপিকস আর অন্য কোন জায়গা থেকে পড়ার দরকার নেই। ইংরেজি গ্রামার রুলস গুলো English for Competitive Exam by Md. Fazlul Hauqe এর বই থেকে পড়ে নেয়া যেতে পারে কিন্তু প্র্যাকটিস করবো উপরে উল্লেখিত ১৩৪ সেট প্রশ্ন থেকে! আর আন্তর্জাতিক পড়ার সময় যেসব টপিকস এখন আর প্রাসঙ্গিক না, তখন ছিল – ঐ গুলো বাদ দিয়ে পড়বো!

Easy Computer by MP3 George/ যে কোন ডাইজেস্ট/ ডাঃ জামিল’স এর বই
এই তিন বই যার কাছে যেটা আছে সেটা থেকে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ভাঁজা ভাঁজা করে ফেলব পড়ে। খুবই সহজ, বড়জোর ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে পড়তে কিন্তু ১৫ মার্কস একদম হাতে চলে আসবে!

মানসিক দক্ষতা by MP3 George বই
অনেক শর্ট-কাট নিয়ম দেয়া আছে। পারলে পুরো বইটা প্রতিদিন ১-২ ঘণ্টা করে পড়ে শেষ করলে অনেক উপকার হবে। এই বই পড়লে শুধু যে মানসিক দক্ষতাতেই ভালো করা যাবে সেটা নয়, একই সাথে গনিতের কিছু অংশ, বাংলা ২য় পত্রের কিছু টপিকস, ইংরেজি গ্রামার, Analogy, Synonyms and Antonyms ও পড়া হয়ে যাবে!

Professor’s MCQ Review- বাংলা
এই বই থেকে বাংলা সাহিত্যের শুধু MCQ প্র্যাকটিস, মুখস্থ করতে হবে।

বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা- সৌমিত্র শেখর
বাংলা গ্রামারের জন্য খুবই দরকারি একটি বই। বাক্য শুদ্ধির নিয়ম, বানান শুদ্ধি, সন্ধির জন্য দেয়া গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি গুলো, সমাসের ক্ষেত্রে মধ্যপদলোপী ও বহুব্রীহি সমাস, প্রকৃতি-প্রত্যয়ের এর জন্য দেয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি-প্রত্যয় গুলো ভালো করে পড়ে ফেলতে হবে। আর ধ্বনি ও বর্ণ অংশটুকু MP3 বাংলা বই/ বোর্ড বই থেকে পড়লে ভালো। সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ এই গুলা মানসিক দক্ষতার যে বই বললাম, সেই বই পড়ার সময় হয়ে যাবে!

যে কোন গানিতিক যুক্তি বই
পাঠিগনিত পার্ট বাদ দিয়ে যে কোন প্রকাশনীর গানিতিক যুক্তি বই থেকে প্রতিদিন ১/২ ঘণ্টা করে প্র্যাকটিস করতে হবে। এই ক্ষেত্রে ৮ম থেকে দশম শ্রেণীর বোর্ড বই গুলো হাতের কাছে রাখলে ভালো!

Professor’s MCQ Review- বাংলাদেশ বিষয়াবলি
এই বই থেকে ইতিহাসের ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৫ ছাড়া বাকি সব প্রাচীন কালের ইতিহাস বাদ দিয়ে অন্য টপিকস গুলোর MCQ পড়ে ভাঁজা ভাঁজা করে ফেলতে হবে!
আর সংবিধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ গুলো হলঃ ১-৭, ১২, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৫, ২৭, ২৮, ২৯, ৩৩, ৩৯, ৪১, ৪৭, ৬৪, ৬৬, ৭৭, ৮১, ৯৩, ১১৭, ১১৮, ১২৭, ১৩৭, ১৪১
তাছাড়া সংবিধানের সংশোধনীসমূহ, মোট কয়টি অনুচ্ছেদ, সংবিধান সৃষ্টির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস!

ইংরেজি সাহিত্য
গত দশ বছরের বিসিএস, পিএসসি নন-ক্যাডারে আসা প্রশ্ন গুলো পড়ে ভাঁজা ভাঁজা করে ফেলতে হবে!

পরামর্শ  দিয়েছেনঃ-
এফ. এম. আশ্রাফুল আউয়াল রানা, (৩৫ তম বিসিএস )

বিসিএস এর জন্য নিচের পোস্টগুলোও পড়ে নিনঃ

📌 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কী, কেন, কিভাবে | BCS সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

📌 ইংরেজি সাহিত্যের বাছাই করা ৫২৫ টি গুরুত্বপূর্ন MCQ এর PDF ডাউনলোড করুন | English Literature Note

📌 নবম/দশম শ্রেণির,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই থেকে ৪০০+টি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

📌 সুশান্ত পালের 1-10 ইংরেজি Hand Note Pdf Download করুন

📌 কেমন হতে পারে ৩৮ তম বিসিএস প্রিলি: পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁদ ? লিখেছেন Satyajit Chakraborty | বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি

📌 শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে A to Z জেনে নিন।

📌 বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাব্য,পত্রকাব্য,কবিতা, নাটক এবং উপন্যাস রচনার পেছনের রহস্য | বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি

📌 বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখুন কৌশলে | যতি বা ছেদ চিহ্ন নিয়ে যত তথ্য | বাংলা ২য় পত্র টিপস

📌 সবচেয়ে বেশি বার বিসিএস অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আগত প্রশ্নগুলোর Pdf Download

error: Content is protected !!